পুলিশ সূত্রে খবর, কমন রুমে নির্যাতিতার উপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সেখান থেকেই মিলেছে রক্তের দাগ। সেই নমুনাগুলি পাঠানো হচ্ছে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। তদন্তকারীদের বক্তব্য, এই রক্তের নমুনাই গুরুত্বপূর্ণ ক্লু হয়ে উঠতে পারে।
আরও পড়ুনঃ কসবা গণধর্ষণ কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টে আইনজীবীরা
তবে যে হকিস্টিক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তা ঠিক কীভাবে এই ঘটনায় জড়িত, তা এখনও খোলসা করেনি পুলিশ। অনুমান, হামলার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। পাশাপাশি অভিযুক্তরা যেখান থেকে নির্যাতিতাকে জোর করে নিয়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ, সেই পথ ও সংলগ্ন সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রাপ্ত সূত্র অনুযায়ী, কলেজ চত্বরে থাকা ৫-৬টি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। একটি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, অভিযোগকারিণীকে কয়েকজন টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। সেই দৃশ্য এখন তদন্তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পুলিশ।
এছাড়া, নির্যাতিতার অভিযোগ অনুযায়ী, ধর্ষণের পর তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হলে অভিযুক্তরাই ইনহেলার কিনে এনে দেয়। পুলিশ আজ সেই দোকান থেকেও সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখবে।
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কলেজের প্রাক্তন ছাত্র ও প্রভাবশালী টিএমসিপি (TMCP) নেতা মনোজিৎ মিশ্র (Manojit Mishra)-ও। তদন্ত জোরকদমে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।