ভাইরাল খবর
ছাত্রীকে জড়িয়ে ধরার অভিযোগ অস্থায়ী ক্লার্কের বিরুদ্ধে, উত্তাল ডালখোলা, আগুন লাগল দোকানে
ডিজিটাল ডেস্কঃ কসবা ল কলেজের ভয়াবহ ঘটনা এখনও পুরোপুরি থামেনি, তার মধ্যেই ফের নাবালিকা নির্যাতনের অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য। উত্তরের ডালখোলা (Dalkhola) এলাকায় এক স্কুল ছাত্রীর উপর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল অস্থায়ী ক্লার্ক মনিষ অধিকারীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ ঘিরে সোমবার বিকেলে ভয়াবহ উত্তেজনা ছড়ায়। জনতার রোষ এতটাই ভয়ানক রূপ নেয় যে, অভিযুক্তর দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয় স্থানীয়রা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চম শ্রেণিতে পড়া ওই ছাত্রী স্কুলে গিয়েছিল একটি ডায়েরি আনতে। সেই সময় স্কুলের বাইরে দাঁড়িয়েই, অভিযোগ, অস্থায়ী ক্লার্ক তাকে জাপটে ধরে। নির্যাতিতার মায়ের কথায়, মেয়েকে জড়িয়ে ধরে শরীরে হাত দেয় অভিযুক্ত। বারবার নিষেধ করলেও, সে কিছুতেই ছাড়েনি। আতঙ্কে ভেঙে পড়ে ছাত্রী। কান্নাকাটি করে বাড়ি ফিরে মাকে জানায় সমস্ত ঘটনা।
আরও পড়ুনঃ নবান্নে মমতা-ওমর বৈঠক! পহেলগাম হামলার পর কাশ্মীর-বাংলার সম্পর্ক গড়তে ঐতিহাসিক পর্ব
এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্কুলের সামনে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দারা ও অভিভাবকরা। শুরু হয় বিক্ষোভ, থানা ঘেরাও। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে ঘিরে ধরে তারা জানাতে থাকেন ক্ষোভ। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে, উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তর দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। এলাকার মানুষ সরব হয়েছেন পুলিশের ভূমিকা নিয়েও। তাঁদের অভিযোগ, এমন গুরুতর অপরাধের পরেও পুলিশ প্রথমে তেমন কোনও তৎপরতা দেখায়নি।
শেষপর্যন্ত, পরিস্থিতি সামাল দিতে নামতে হয় বিশাল পুলিশ বাহিনীকে। অভিযুক্তকে (যার নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি) গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাও জানান, এমন ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। কড়া শাস্তির দাবিতে তাঁরাও প্রশাসনের পাশে রয়েছেন।
ডালখোলা জুড়ে এই ঘটনায় ভয়, ক্ষোভ ও বেদনার আবহ। স্থানীয়দের স্পষ্ট দাবি— “স্কুলে পাঠিয়ে সন্তানকে হিংস্রতার মুখে ফেলার কোনও মানে হয় না!”
