‘ডিক্লারেশন ফর্ম’-এ ছক এনআরসির! কমিশনের বিরুদ্ধে তৃণমূল
Connect with us

ভাইরাল খবর

‘ডিক্লারেশন ফর্ম’-এ ছক এনআরসির! কমিশনের বিরুদ্ধে তৃণমূল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকাকে ঘিরে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) নতুন পদক্ষেপ নিয়ে ফের একবার কেন্দ্র-বিরোধ সংঘাত চরমে। ভোটার তালিকায় ‘স্বচ্ছতা’ আনতে ‘ডিক্লারেশন ফর্ম’-এর নিয়ম জারি করেছে কমিশন। আর তাতেই তীব্র আপত্তি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। দলটির দাবি, এই ফর্মের আড়ালে পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি (NRC) চাপানোর চেষ্টা করছে বিজেপি (BJP)।

শনিবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে (Constitution Club) সাংবাদিক সম্মেলন করে কমিশনের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন (Derek O’Brien)। তিনি অভিযোগ করেন, “বিজেপি এখন থেকেই বুঝে গিয়েছে ২০২৬-এর নির্বাচনে তারা বাংলায় পর্যদুস্ত হবে। তাদের নিজস্ব সমীক্ষাতেই উঠে এসেছে— ৪৫ থেকে ৪৯টির বেশি আসন তারা পাবে না। সেই কারণেই এখন ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার পরিকল্পনায় নেমেছে তারা। এই ‘ডিক্লারেশন ফর্ম’-এর মাধ্যমে প্রকৃত ভোটারদের ভয় দেখিয়ে বাদ দেওয়ার ছক চলছে।”

তৃণমূলের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে, বিজেপির এই সমীক্ষা কে বা কারা করেছে, সেই সমস্ত তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। এমনকি, সমীক্ষায় যুক্ত থাকা বেশ কয়েকজনকে ইতিমধ্যেই শনাক্তও করেছেন তৃণমূলের কর্মীরা।

আরও পড়ুনঃ রায়গঞ্জে সুব্রত কাপ মাতাল ছেলেমেয়েরা, তিন বিভাগেই জয়ের ছাপ

Advertisement
ads

দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) আগেই দাবি করেছিলেন, “২০২৬-এ বিজেপি পঞ্চাশের ঘর ছাড়াতে পারবে না।” একই সুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “এই ফর্মের আড়ালেই এনআরসি চালু করতে চাইছে কেন্দ্র। সাধারণ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে মুছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।”

ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্ব অনুধাবন করেই এবার তৃণমূল সাংগঠনিক স্তরেও এই বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলছে। প্রতিটি ব্লক ও বুথ স্তরে ভোটারদের সতর্ক করতে শুরু হয়েছে দলীয় কর্মসূচি। বিশেষ করে, সংখ্যালঘু, আদিবাসী ও গ্রামীণ ভোটারদের নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।

তৃণমূলের আশঙ্কা, এই নিয়মগুলি কার্যকর হলে বাংলা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে মুছে যেতে পারে। ফলে বিষয়টি এখন শুধু ভোট নয়, মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষার লড়াই হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

Advertisement
ads