পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ পাওয়ার পরই প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। মহিলার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শ্লীলতাহানি ও চাঁদার মামলা রুজু করা হয়েছে। স্থানীয় থানার এক আধিকারিক বলেন, “অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। প্রমাণ সংগ্রহ এবং সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
অভিযুক্ত কাউন্সিলর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। আমাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ফাঁসানো হচ্ছে। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে সত্য প্রকাশ্যে আসবে।”
ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বিজেপির স্থানীয় নেতা অভিযোগ করেছেন, “একজন বিধবা মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং চাঁদা চাওয়া হয়েছে। অথচ কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হয়নি। এটি জনসাধারণের সঙ্গে অন্যায়।”
এদিকে, বামেরাও তৃণমূলের প্রতি তোপ দাগেছে। সিপিএম নেতা বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস জনপ্রতিনিধি শব্দটাকেই কলঙ্কিত করেছে। একজন গরিব মহিলাকে হেনস্থা করা হচ্ছে, চাঁদা দাবির পেছনে স্থানীয় বিধায়কের মদত রয়েছে।”
এই অভিযোগ প্রকাশের পর থেকে রাজপুর-সোনারপুরের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রাথমিকভাবে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ও অসন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে। পুলিশ ও প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্তে তৎপর রয়েছে।
যদিও কাউন্সিলর নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখছেন, তবে অভিযোগের গুরুত্ব এবং স্থানীয় তৃণমূলের প্রভাবের কারণে তদন্তে স্বচ্ছতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।