বাংলাদেশ
থানায় বসে হিন্দু নিধনের কথা স্বীকার! সেই বাংলাদেশি ‘বিপ্লবী’ মেহদি দিল্লিতে! কিন্তু কেন?
ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৪ সালের অগস্ট মাসে বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনের (Student Movement) সময় এক হিন্দু পুলিশ অফিসারকে পুড়িয়ে মারার চাঞ্চল্যকর দায় স্বীকার (Confession) করা সেই ছাত্রনেতা মেহদি হাসান এবার ভারতে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক (General Secretary) মেহদি হাসানকে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দিল্লির ভিএফএস (VFS) সেন্টারে দেখা যায়। ফিনল্যান্ডে যাওয়ার ভিসা (Visa) সংক্রান্ত কাজে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় একটি ভাইরাল ভিডিওর (Viral Video) মাধ্যমে। মেহদি হাসান শায়েস্তাগঞ্জ থানায় পুলিশের এক সদস্যকে ছাড়াতে গিয়ে কর্তব্যরত আধিকারিকদের আঙুল উঁচিয়ে শাসানি দেন। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, “বানিয়াচং থানা আমরাই পুড়িয়েছিলাম এবং এসআই সন্তোষকে (সন্তোষ চৌধুরী) আমরাই জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।” থানায় বসে একজন হিন্দু পুলিশ অফিসারকে পুড়িয়ে মারার এই প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) আলোড়ন সৃষ্টি করে।
এই ঘটনার পর মেহদিকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার (Arrest) করা হলেও মাত্র একদিনের মাথায় তিনি জামিন (Bail) পেয়ে যান। এরপরই তিনি উচ্চশিক্ষার বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ফিনল্যান্ড যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেন। তবে দিল্লিতে তাঁর উপস্থিতির ভিডিও জানাজানি হতেই শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। মেহদির দাবি, দিল্লিতে আসার পর থেকেই অজ্ঞাতপরিচয় (Unknown) বিভিন্ন নম্বর থেকে তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং কেউ বা কারা তাকে অনুসরণ (Follow) করছে।
ভীত মেহদি জানান, “আমি খুব ভয়ে আছি। হোটেলে ফেরার পর আর বাইরে বের হইনি। দরজায় কেউ নক (Knock) করলেও আমি খুলছি না।” এই পরিস্থিতিতে তিনি দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনে (High Commission) যোগাযোগ করে নিজের নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়েছেন। একদিকে পুলিশ হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের স্বীকারোক্তি এবং অন্যদিকে বিদেশের মাটিতে তাঁর নিরাপত্তা প্রার্থনা—সব মিলিয়ে মেহদি হাসানকে নিয়ে এখন দুই দেশেই চর্চা তুঙ্গে।
