বাংলাদেশ
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার গায়ক নোবেল, আদালতে বিস্ফোরক দাবি— ‘অভিযোগকারিণীই আমার স্ত্রী’
ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বিতর্কে বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী মইনুল আহসান নোবেল (Mainul Ahsan Noble)। ‘সারেগামাপা’ খ্যাত এই গায়কের বিরুদ্ধে এবার উঠল এক তরুণীকে দীর্ঘদিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ। বাংলাদেশের এমার্জেন্সি হেল্পলাইনে ফোন করে নিজেই পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন ওই তরুণী। জানান, গত সাত মাস ধরে তাঁকে জোর করে একটি জায়গায় আটকে রাখা হয়েছিল, তাঁর মোবাইল ফোনটিও কেড়ে নেওয়া হয়।
অভিযোগ পাওয়ার পর তৎপর হয় পুলিশ। নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং ওই অভিযোগের ভিত্তিতে গায়ক নোবেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন, মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়।
আরও পড়ুনঃ সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে কূটনৈতিক যুদ্ধ শুরু, ৩৩টি দেশে ৭টি সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল পাঠাল ভারত
এই মামলার শুনানিতে চাঞ্চল্যকর দাবি করেন নোবেলের আইনজীবী। আদালতে তিনি বলেন, অভিযোগকারিণী তরুণী আসলে নোবেলের বৈবাহিক স্ত্রী। তাঁর কথায়, “এই ঘটনায় কোনও জোর করে আটকে রাখার প্রশ্নই ওঠে না। এটি নিছক একটি ভুল বোঝাবুঝির ফল।”
এছাড়া আদালতকে আরও জানানো হয়, ওই তরুণী বর্তমানে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আইনজীবীর দাবি, নোবেল এখনও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করতে ইচ্ছুক। যদিও বিচারক এই দাবি শুনে কাবিননামা বা বিবাহের প্রমাণপত্র দেখতে চান। কিন্তু আইনজীবী তা আদালতে পেশ করতে পারেননি। তাঁর ব্যাখ্যা, তাড়াহুড়োর কারণে কাবিননামা সঙ্গে নিয়ে আসা হয়নি।
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্যাতিতার তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, নোবেল আগে থেকেই বিতর্কিত মন্তব্য ও আচরণের জন্য সংবাদ শিরোনামে থেকেছেন। একসময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেও সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি। তাঁর আগের স্ত্রীর সঙ্গেও সম্পর্ক ঘিরে নানা জলঘোলা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য, মাত্র আট মাস আগে এক মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে মুক্ত হয়ে ঘরে ফেরেন এই গায়ক।
