আমতলার সাংসদ কার্যালয়ে চলল বুলডোজার! জরুরি শুনানির আর্জি জানিয়ে হাই কোর্টে অভিষেক
Connect with us

রাজনীতি

আমতলার সাংসদ কার্যালয়ে চলল বুলডোজার! জরুরি শুনানির আর্জি জানিয়ে হাই কোর্টে অভিষেক

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় (Amtala) তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)-এর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কার্যালয়ে (Party Office) বুলডোজার (Bulldozer) চালানোর ঘটনায় নতুন মোড়। শনিবার প্রশাসনের অভিযানের পর রবিবার কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) জরুরি শুনানির আবেদন করা হয়। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর এজলাসে (Bench) ছুটির দিনেই এই মামলার শুনানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রশাসনের দাবি, কার্যালয়টি বৈধ নির্মাণ পরিকল্পনা (Building Plan) ছাড়াই তৈরি হয়েছিল। এই অভিযোগে সাত দিনের ব্যবধানে দু’টি নোটিস (Notice) পাঠানো হয় এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষকে শুনানিতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, সেই নোটিসের জবাব না মেলায় প্রশাসন ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়।

শনিবার সকালে পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতে কার্যালয় ঘিরে ফেলা হয়। পরে বুলডোজার দিয়ে ভবনের একাংশ ভাঙা শুরু হয়। অভিযোগ, তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশের পর কিছু স্থানীয় ব্যক্তি ভাঙচুর চালান। ঘটনাস্থলে বিজেপি (BJP) কর্মীদের উপস্থিতি ও স্লোগান দেওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে।

অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ভবনটি সম্পূর্ণ বৈধ অনুমোদন (Approval) নিয়েই নির্মিত হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি আদালতে জমা দেওয়া হবে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন (Sub Judice) থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন আইন না মেনে বুলডোজার চালিয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে (Social Media) পোস্ট করে অভিষেক দাবি করেন, পুলিশ কার্যালয় থেকে ল্যাপটপ (Laptop), কম্পিউটার (Computer), নথিপত্র (Documents) ও অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এটি শুধু উচ্ছেদ নয়, বরং আইনের অবমাননা। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীরাও ভাঙচুরে অংশ নিয়েছিলেন।

Advertisement
ads ads

এদিকে জেলা প্রশাসনের বক্তব্য, জমি ও নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই আইন মেনে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এখন এই পুরো বিষয়টি কলকাতা হাই কোর্টের শুনানির উপর নির্ভর করছে।