শিলিগুড়ি
বাথরুমে ঢুকতেই গায়ে ঝাঁপ চিতাবাঘের! রক্তাক্ত যুবক, আতঙ্কে কাঁপছে এলাকা
ডিজিটাল ডেস্কঃ সবেমাত্র ঘুম (Sleep) ভেঙেছে। ঘুমঘোরে শৌচালয়ে (Bathroom) পা রাখতেই আচমকা ঘটে অঘটন। মুহূর্তে গায়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এক চিতাবাঘ (Leopard)! কিছু বোঝার আগেই রক্তাক্ত (Bloodied) হয়ে পড়েন শিলিগুড়ির (Siliguri) এক যুবক। আতঙ্কে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা।
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of North Bengal) পাশের শিবমন্দির (Shivmandir) এলাকায়। আহত যুবকের নাম অভিষেক প্রসাদ (Abhishek Prasad), বয়স ২৮। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোররাতে সবাই যখন ঘুমে, তখনই সকলের অগোচরে বাড়িতে ঢুকে পড়ে চিতাবাঘটি। বাথরুমে গিয়ে ওঁত পেতে বসে ছিল সেটি।
অভিষেক বাথরুমে পা রাখামাত্রই হামলা চালায় বাঘটি। মুখ, বুক ও হাতে (Face, Chest, Hand) জখম হন তিনি। পরিবার ও প্রতিবেশীরা তাঁর চিৎকার শুনে ছুটে আসেন। ততক্ষণে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন অভিষেক। তড়িঘড়ি তাঁকে স্থানীয় একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে (Private Hospital) ভর্তি করা হয়।
বাড়িমালিক বিশ্বনাথ দে (Biswanath Dey) জানান, “হঠাৎ চিৎকার শুনে দৌড়ে এসে দেখি ছেলেটির গায়ে সর্বত্র আঁচড়ের দাগ। মুখে রক্ত। সে নিজেই বলে— ‘চিতাবাঘ হামলা করেছে!’ আমরা আতঙ্কে আছি, বাড়ি থেকে বের হতেও ভয় লাগছে।”
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বাগডোগরা (Bagdogra) বনদপ্তরের কর্মীরা। চলছে জোর তল্লাশি অভিযান (Search Operation), তবে এখনো পর্যন্ত চিতাবাঘটির হদিশ মেলেনি।
এদিকে পুরো শিবমন্দির এলাকায় এখন চরম আতঙ্ক। দোকানপাট (Shops) বন্ধ, রাস্তাঘাট ফাঁকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই জানাচ্ছেন, আগেও এই এলাকায় চিতাবাঘ দেখা গিয়েছিল। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের বনাঞ্চল থেকেই বাঘটি এসে থাকতে পারে বলে অনুমান বনদপ্তরের।
বর্তমানে আহত অভিষেকের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও তাঁর ক্ষত গভীর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।


