আত্মহত্যা
স্ত্রীকে খুন করে আত্মঘাতী স্বামী? নাকি জোড়া খুন—তদন্তে পুলিশ
ডিজিটাল ডেস্কঃ শিলিগুড়িতে ভয়াবহ (horrifying) এক ঘটনায় রবিবার সকালেই নেমে আসে চরম আতঙ্ক। সাহু নদীর (Sahu River) পাড়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় এক মহিলার গলাকাটা রক্তাক্ত মৃতদেহ। তার অদূরে, প্রায় ২০০ মিটার দূরে গাছ থেকে ঝুলছে স্বামীর দেহ—গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায়। দম্পতির এই জোড়া মৃতদেহ (dual bodies) ঘিরে আঁতকে উঠেছে স্থানীয়রা, ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র চাঞ্চল্য।
মৃত দম্পতির নাম তপন মণ্ডল (Tapon Mondal) ও অনিমা মণ্ডল (Onima Mondal)। বাড়ি শিলিগুড়ির ভোলাপাড়া এলাকায়। জানা গেছে, দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে তাঁদের দাম্পত্য জীবন (marital life) ভালোই কাটছিল। সংসারে দুই ছেলে—এঁদের প্রত্যেকেই কর্মরত। পরিবার ও প্রতিবেশীদের মতে, সংসারে কোনও অশান্তি ছিল না, এমনকি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও ঝগড়া-ঝাঁটিও (conflict) চোখে পড়ত না।
তপন পেশায় রাজমিস্ত্রি (mason) এবং অনিমা একটি কারখানায় (factory) কাজ করতেন। প্রতিদিন কাজ শেষে নির্দিষ্ট সময়েই তাঁরা বাড়ি ফিরতেন বলে জানা যায়। কিন্তু শনিবার সন্ধ্যা থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ফোন বন্ধ পাওয়া যায়, এবং খোঁজাখুঁজি করেও তাঁদের সন্ধান মেলেনি। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি থানায় জানান।
এরপর রবিবার সকালে সাহু নদীর তীরে অনিমার গলাকাটা দেহ (beheaded corpse) উদ্ধার হয়। কাছেই গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় মিলেছে তপনের দেহ। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। খবর দেওয়া হয় আশিঘর থানায় (Ashighar Police Station)। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দু’টি মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে (post-mortem) পাঠিয়েছে।
ঘটনার পর সামনে আসে একাধিক প্রশ্ন—
-
স্ত্রীকে খুন করে কি আত্মঘাতী (suicidal) হয়েছেন তপন?
-
নাকি খুন করা হয়েছে দু’জনকেই?
-
দাম্পত্যে কি কোনও গোপন অশান্তি ছিল?
-
নাকি তৃতীয় পক্ষের (third party) উপস্থিতি ঘটনার নেপথ্যে?
ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (Deputy Police Commissioner) রাকেশ সিং জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। রহস্যভেদে কাজ শুরু করেছে পুলিশ
