'এভাবেই কি উদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন?' কবরের ছবি তুলে ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের মন্ত্রীর
Connect with us

বিশ্বের খবর

‘এভাবেই কি উদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন?’ কবরের ছবি তুলে ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের মন্ত্রীর

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ইরান-ইজরায়েল সংঘাত (Conflict) বর্তমানে চতুর্থ দিনে পদার্পণ করেছে, যার রেশ ধরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা ইরানে। অভিযোগ উঠেছে, মার্কিন-ইজরায়েল যৌথ হামলার (Joint Attack) প্রথম দিনেই দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে একটি মেয়েদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নারকীয় হামলায় প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ১৬০ জন কন্যাশিশু। এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র ক্ষোভ (Resentment) ও শোকের আবহ।

মিনাবের ‘শাজারেহ তয়্যিবেহ’ নামক সেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দিনের আলোতেই এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থার ভিডিওতে দেখা গেছে, হাজার হাজার মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়ে নিহত শিশুদের শেষযাত্রায় (Funeral Procession) শামিল হয়েছেন। কারও হাতে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-এর ছবি, তো কারও হাতে জাতীয় পতাকা।

ইরানের বিদেশমন্ত্রী সায়েদ আব্বাস আরাঘচি সামাজিক মাধ্যমে শয়ে শয়ে কবরের ছবি শেয়ার করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন। তিনি বিদ্রূপের সুরে প্রশ্ন তোলেন, এই কি ট্রাম্পের ‘উদ্ধারের’ নমুনা? আরাঘচির দাবি, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন (Human Rights Law) অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা হাসপাতালে হামলা চালানো একটি বড় মাপের যুদ্ধাপরাধ (War Crime)। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, “গাজা থেকে মিনাব—নিরপরাধ মানুষের রক্তপাতের এই ধারা একই মানসিকতার প্রতিফলন।”

অন্যদিকে, মার্কিন প্রশাসন (US Administration) সরাসরি এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। মার্কিন বিদেশমন্ত্রীর দাবি, তাঁদের বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে (Deliberately) কোনো স্কুলকে লক্ষ্যবস্তু করে না। তবে ঘটনাটি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মিনাবের এই রক্তক্ষয়ী ঘটনা এখন কেবল একটি স্থানীয় শোক নয়, বরং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক (Diplomatic) লড়াইয়ের নতুন হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Advertisement
ads