জেন-জি বনাম প্রবীণ রাজনীতি: নেপালের ঐতিহাসিক ভোটে নজর বিশ্ব মহলের
Connect with us

বিশ্বের খবর

জেন-জি বনাম প্রবীণ রাজনীতি: নেপালের ঐতিহাসিক ভোটে নজর বিশ্ব মহলের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ গত বছর ৯ সেপ্টেম্বর এক রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের (Mass Uprising) মাধ্যমে পতন ঘটেছিল প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির নেতৃত্বাধীন কমিউনিস্ট সরকারের। জেন-জি (Gen-Z) প্রজন্মের সেই আন্দোলনের পর আজ বৃহস্পতিবার নেপালে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাধারণ নির্বাচন। শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে শিলিগুড়ির পানিট্যাঙ্কি ভারত-নেপাল সীমান্ত ৭২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।

আগামী ৬ মার্চ সকাল পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে সাধারণ যাতায়াত ও আমদানি-রপ্তানি (Import-Export) বাণিজ্য সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা এবং পরিচয়পত্র দেখিয়ে নিজ দেশে ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পানিট্যাঙ্কি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক দীপক চক্রবর্তী জানান, নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সীমান্ত বাণিজ্য (Cross-border Trade) মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাই তাঁরা সেখানে একটি স্থায়ী সরকার (Stable Government) গঠনের প্রত্যাশা করছেন।

নেপাল সংসদের ২৭৫টি আসনের জন্য ভোটগ্রহণ চলছে। এর মধ্যে ১১০ জন সরাসরি এবং বাকিরা আনুপাতিক হারে নির্বাচিত হবেন। অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী (Interim Prime Minister) সুশীলা কার্কি কথা দিয়েছিলেন যে ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করবেন, তিনি সেই কথা রেখেছেন। এবারের নির্বাচনে লড়াই মূলত পুরনো রাজনৈতিক দল এবং নবীন প্রজন্মের প্রার্থীদের মধ্যে। একদিকে যেমন ৭৫ বছর বয়সী কেপি শর্মা ওলি লড়ছেন, অন্যদিকে কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র ৩৫ বছরের বালেন বা নেপালি কংগ্রেসের গগন থাপা প্রধানমন্ত্রী পদের অন্যতম মুখ।

Advertisement
ads

গোয়েন্দা নজরদারি (Surveillance) ও কড়া নিরাপত্তার মোড়কে ১৮ কোটিরও বেশি ভোটার আজ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির উদাহরণ টেনে ওয়াকিবহাল মহল (Expert Circle) লক্ষ্য করছে, নেপালের ভোটাররা দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ প্রবীণদের নাকি পরিবর্তনের ডাক দেওয়া নবীনদের প্রাধান্য দেয়।

Continue Reading
Advertisement