সোশ্যাল মিডিয়া
সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা অভিযোগ,তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে কঠোর আদালত
ডিজিটাল ডেস্কঃ তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভা সাংসদ সাকেত গোখলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘের প্রাক্তন সহকারী মহাসচিব লক্ষ্মী পুরীর দায়ের করা মানহানির মামলায় দিল্লি হাইকোর্ট তাঁর পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করে দিল। শুক্রবার বিচারপতি পুরুষেন্দ্র কুমার কৌরব জানিয়ে দেন, আগে যে রায় দেওয়া হয়েছিল, তা-ই বলবৎ থাকবে—গোখলেকে ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।
২০২১ সালে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লক্ষ্মী পুরী ও তাঁর স্বামী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর বিদেশে সম্পত্তি ক্রয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন সাকেত। সেই পোস্টে তিনি তদন্তের দাবিও তোলেন। এরপরই লক্ষ্মী পুরী আদালতের দ্বারস্থ হন।
আরপরুনঃ বড়বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার ঠিকাদার
গত বছর ১ জুলাই দিল্লি হাইকোর্ট এক্স পার্টি রায়ে গোখলের বিরুদ্ধে রায় দেয় এবং তাঁকে তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে ছয় মাস ধরে ক্ষমা চাওয়ার বার্তা রাখার নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশ অমান্য করায় লক্ষ্মী পুরী আদালত অবমাননার মামলা করেন। আদালতের তরফে এরপর তাঁর সম্পত্তির বিবরণ, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও আর্থিক তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
শুক্রবার বিচারপতি মনমিত প্রীতম সিং অরোরা জানান, যেহেতু গোখলে আদালতের নির্দেশ মানেননি ও সঠিক ব্যাখ্যা দেননি, তাই তাঁর সাংসদ বেতন বাজেয়াপ্ত করে মাসিক ১.৯ লক্ষ টাকা কেটে নেওয়া হবে যতক্ষণ না ৫০ লক্ষ টাকার পুরো ক্ষতিপূরণ আদায় হচ্ছে।
আদালতের পর্যবেক্ষণে উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের ‘ওথেলো’ নাটক থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, গোখলের অভিযোগ ছিল ‘ভিত্তিহীন সন্দেহভাজন কথন, যা কারও সুনাম নষ্ট করতে পারে।’
পরবর্তী শুনানি ২৮ মে ধার্য হয়েছে।
