খুন
সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জোরালো বার্তা জেডি ভান্সের, ভারতের পাশে আমেরিকা
ডিজিটাল ডেস্কঃ পহেলগাঁওয়ে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ এশিয়ায় উত্তেজনার আবহে প্রকাশ্যে এল আমেরিকার কড়া বার্তা। পাকিস্তান কে নিয়ে মার্কিন সেনেটর জেডি ভান্স সরাসরি সন্ত্রাসবাদ নিয়ে সরব হয়ে জানালেন, “আমরা আশা করি ভারত এমনভাবে জবাব দেবে, যাতে তা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের দিকে না গড়ায়।” পাশাপাশি তিনি জোর দিয়ে বলেন, “পাকিস্তান হামলায় দায়ী না হলেও তাদের উচিত ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা করে নিজেদের ভূখণ্ডে সক্রিয় জঙ্গিদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেওয়া।”
জেডি ভান্সের এই মন্তব্যের পরপরই মার্কিন বিদেশ দফতর ও প্রতিরক্ষা দফতরের তরফে একই সুরে ভারতকে সমর্থনের বার্তা দেওয়া হয়। মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস স্পষ্টভাবে জানান, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইয়ে আমেরিকা পাশে আছে।”
আরও পড়ুনঃ কাশ্মীর হামলার দায়! নিজের নামে ছড়ানো ভুয়ো পোস্ট নিয়ে মুখ খুললেন হানিয়া আমির
তিনি আরও জানান, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক স্তরে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে ওয়াশিংটন। সম্প্রতি মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও আলাদা করে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে। এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ফোন করে একাধিকবার সমর্থনের বার্তা দিয়েছেন বলে জানান ট্যামি।
এদিকে, বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। সেই আলোচনায় তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “ভারতের আত্মরক্ষার অধিকার এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার নৈতিক ভিত্তিকে পূর্ণ সমর্থন করছে আমেরিকা।”
এই পরিস্থিতিতে যেখানে চিন, তুরস্কের মতো দেশ পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে, সেখানে ভারত পেয়েছে ইজরায়েল, রাশিয়া, ব্রিটেন এবং আমেরিকার মতো শক্তিধর দেশের স্পষ্ট সমর্থন। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক আবহ এখন যথেষ্ট স্পর্শকাতর এবং তাতে আমেরিকার বার্তা কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
