মুর্শিদাবাদ
শমসেরগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ, হিংসার নেপথ্য কারণ অনুসন্ধানে মুখ্যমন্ত্রী
ডিজিটাল ডেস্কঃ মুর্শিদাবাদে হিংসার ঘটনার পর সোমবার দেরিতে হলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বহরমপুর থেকে রওনা দেন। আবহাওয়ার কারণে চপার (helicopter) উড়তে কিছু দেরি হলেও, তিনি শীঘ্রই জঙ্গিপুর (Jangipur) যাবেন, সেখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। তার আগে, তিনি শমসেরগঞ্জের (Shamsherganj) বিডিও অফিসে (BDO office) ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন।
সোমবার মুর্শিদাবাদে পৌঁছানোর পর মুখ্যমন্ত্রী সোজাসুজি দেশের শাসকদল এবং বিএসএফের (BSF) বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, ‘‘লিয়ান (Lian), সুতির (Sutir) হিংসার পিছনে বিএসএফের কারণেই অশান্তি বৃদ্ধি পেয়েছিল।’’ ওই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘‘দেশের অ্যাক্টিং প্রাইম মিনিস্টার কে? আমি জানি না। আমাকে কয়েক জন ছাত্র বললেন। বিজেপি এর জবাব দিতে পারবে। অ্যাক্টিং প্রাইম মিনিস্টার দেশ চালাচ্ছেন। আমি তাঁকে বলব, চেয়ারে বসে ভেদাভেদের রাজনীতি করবেন না। সাম্প্রদায়িক অশান্তি না-করে, সীমান্ত রক্ষায় নজর দিন।’’ যদিও মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্টভাবে নাম না নিয়েও, তিনি যে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)-কেই নিশানা করতে চেয়েছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ “মুখ্যমন্ত্রী কি ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াবেন?” অধীরের প্রশ্নে উত্তাল মুর্শিদাবাদ।
প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদে সাম্প্রতিক হিংসার ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল সংশোধিত ওয়াকফ আইন (Waqf Act Amendment) নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে। এই প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি দ্রুত অশান্ত হয়ে ওঠে এবং কিছুক্ষণের মধ্যে সহিংসতার রূপ নেয়। তবে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি এই ঘটনাগুলির পুরো তথ্য যাচাই করছেন এবং শীঘ্রই সমস্ত সত্য প্রকাশ্যে আসবে।
দু’দিনের মুর্শিদাবাদ সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার দুপুরে বহরমপুর (Baharampur) পৌঁছানোর পর, তিনি মঙ্গলবার ধুলিয়ান (Dhuliyan), শমসেরগঞ্জ এবং সুতির (Suti) মতো উপদ্রুত এলাকায় যাবেন। এ ছাড়াও, তিনি জঙ্গিপুরে (Jangipur) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করার পরিকল্পনা করেছেন।
