ভাইরাল খবর
হুমায়ুনের মসজিদ শিলান্যাসের দিনই মুর্শিদাবাদে রাম মন্দির কর্মযজ্ঞ
ডিজিটাল ডেস্কঃ বেলডাঙায় (Beldanga) তৃণমূলের সাসপেন্ডেড বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) শনিবার নতুন মসজিদ (Mosque) নির্মাণের শিলান্যাস (Foundation Stone) করেন। অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা ও রাজনৈতিক বিতর্ক বেড়ে চলেছে। এই পরিস্থিতিতেই বহরমপুরের (Behrampore) বানজেটিয়ার মনীন্দ্রনগর এলাকায় রাম মন্দির (Ram Temple) নির্মাণের কর্মযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। বিজেপি নেতা শাখারভ সরকার (Shakharav Sarkar) আনুষ্ঠানিকভাবে মন্দিরের শিলান্যাস করেন। তাঁর দাবি, “আজ থেকেই রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার পথচলা শুরু হল।” সামনে বৃহৎ পরিসরে ভূমিপুজো (Bhumi Puja) হবে বলেও জানান তিনি।
শিলান্যাস মঞ্চ থেকেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নিশানা করে বেলডাঙার মসজিদ বিতর্ককে রাজনৈতিক কৌশল বলে আখ্যা দেন। শিল্পায়ন (Industrialisation) ও কর্মসংস্থানের ঘাটতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শাখারভ। অভিযোগ— “মুর্শিদাবাদে এতদিনে একটি শিল্পও দাঁড়াল না, মুখ্যমন্ত্রীকেই জবাব দিতে হবে।”
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder) দাবি করেন, মুর্শিদাবাদে রাম মন্দির হবে এবং ভবিষ্যতে বড় করে ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ (Pran Pratishtha) আয়োজন হবে।
বেলডাঙার অনুষ্ঠানে হুমায়ুন কবীর স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এই মসজিদের ইট কেউ খুলতে এলে শহিদ হতে রাজি, কিন্তু ইট ছুঁতে দেব না।” মসজিদ নির্মাণের বাজেট ৩০০ কোটি টাকা (300 Crores) বলে জানান তিনি। কীভাবে এত অর্থের জোগান— প্রশ্ন উঠতেই তিনি দাবি করেন, দেশের এক বড় শিল্পপতি (Industrialist) ৮০ কোটি টাকা অনুদানের আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁর চ্যালেঞ্জ— “এবার কে রুখবে বাবরি মসজিদ নির্মাণ, কে আটকাবে হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়?”
মসজিদ ও রাম মন্দির— একই দিনে দুটি ধর্মীয় শিলান্যাসকে কেন্দ্র করে মুর্শিদাবাদ জুড়ে জমে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা।


