ভাইরাল খবর
দিল্লিতে বাংলাদেশি তকমায় তাড়া, বাড়ি ফেরার পর মুর্শিদাবাদে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু
ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লিতে পরিযায়ী (migrant) শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন সন্তোষ দাস ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্য। অভিযোগ, বাংলায় কথা বলার জন্য স্থানীয় পুলিশ তাঁদের বাংলাদেশি (Bangladeshi) তকমা দিয়ে রাজধানী থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। আতঙ্কে স্ত্রী ও পুত্র সন্তানকে নিয়ে তিনি মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বাড়ি ফিরে আসেন।
পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন দিল্লিতে রঙের মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করা ৫৫ বছর বয়সী সন্তোষ দাস গত কয়েক মাস ধরে পুলিশি হুমকির মধ্যে ছিলেন। বাড়ি ফেরার পরও তিনি আতঙ্কে ছিলেন এবং সংসারের দুশ্চিন্তা করতেন। কয়েক দিন আগে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ (Medical College) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়।
সন্তোষ দাসের স্ত্রী পাতা দাস জানিয়েছেন, “সব বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশি তকমা দেওয়া হয়েছে। আমরা সপরিবারে কাজ করছিলাম, কোন ভুল ছিল না।” ছেলে মিঠুন দাস হাউসকিপিংয়ে যুক্ত ছিলেন।
ঘটনার পর বহরমপুর পুরসভা (Baharampur Municipality) পরিবারটির পাশে দাঁড়ায় এবং আর্থিক সাহায্য প্রদান করে। পুরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় বলেন, “অবাঙালিদের দ্বারা ওই বাঙালি পরিবার অত্যাচারিত হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন। এর জবাব মানুষ দেবে।”
কয়েক মাস ধরে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাংলার শ্রমিকদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। দিল্লি, হরিয়ানা, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশে বাংলাভাষী শ্রমিকদের নির্যাতন এবং বাংলাদেশে পুশব্যাক (pushback) করার ঘটনাও বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
