“মুখ্যমন্ত্রী কি ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াবেন?” অধীরের প্রশ্নে উত্তাল মুর্শিদাবাদ।
Connect with us

হামলা

“মুখ্যমন্ত্রী কি ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াবেন?” অধীরের প্রশ্নে উত্তাল মুর্শিদাবাদ।

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) সফরে গিয়ে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোমবার জেলায় পৌঁছনোর পর মঙ্গলবার সামশেরগঞ্জ এবং ধুলিয়ানায় প্রশাসনিক সভা করবেন বলে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। সেই সভাকে কেন্দ্র করে এবার রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury)।

অধীরের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর সভা সফল করতে মৃতদের পরিবারকে জোর করে সেখানে হাজির করানোর চেষ্টা চলছে। পুলিশের বিরুদ্ধে পরিবারের সদস্যদের বাড়ি গিয়ে চাপ দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর মন্তব্য, “যে পরিবার সব হারিয়ে সর্বশান্ত, সেই পরিবারের লোকদের এখন পুলিশ তুলে নিয়ে যাচ্ছে সভায় বসানোর জন্য! মরেও শান্তি নেই বাংলায়।”

তিনি আরও বলেন, “একজনের স্বামী আর ছেলেকে খুন করা হয়েছে। পরিবার পুরোহিত পাচ্ছে না শ্রাদ্ধ করার জন্য। আর সেই সময় পুলিশ তাদের বলছে সভায় যেতে! আপনার সরকারের জন্য ওদের এই দুরবস্থা। উলটে আপনাকেই ওদের বাড়িতে গিয়ে ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল।”

আরও পড়ুনঃ বিজেপির শক্তিবৃদ্ধি, তৃণমূল ছেড়ে শতাধিক পরিবার যোগ দিল পদ্মে

Advertisement
ads

অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) তাঁর বক্তব্যে বলেন, “মুর্শিদাবাদের হিংসা পরিকল্পিত। ধর্মকে সামনে রেখে ভুল তথ্য ছড়িয়ে উত্তেজনা ছড়ানো হয়েছে।” তবে এই ব্যাখ্যা মানতে রাজি নন অধীর। তাঁর পাল্টা প্রশ্ন, “তাহলে এতদিন প্রশাসন কী করছিল? এখন দু’জন এএসআইকে বসিয়ে দিয়ে দায় এড়ানো সম্ভব নয়। আপনার দলের নেতারাই তো দাঙ্গার পিছনে রয়েছে।”

মুখ্যমন্ত্রীর সভাকে কেন্দ্র করে তোলাবাজির অভিযোগও তুলেছেন অধীর। তাঁর কথায়, “ক্ষতিপূরণ ঘোষণা হবে জেনেই তৃণমূল নেতারা এলাকায় তোলা তুলছে। এটা নতুন রকম দুর্নীতি। মুখ্যমন্ত্রীর উচিত, দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।”

এদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টে গিয়েছে বিজেপি। হরগোবিন্দ দাস ও তাঁর ছেলের মৃত্যুর পর তাঁদের পরিবার রাজ্যপাল এবং প্রধান বিচারপতির কাছে ন্যায়ের দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছে।

মুর্শিদাবাদের সাম্প্রতিক ঘটনার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আরও তীব্র হল অধীরের এই মন্তব্যে। এখন দেখার, মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর সভায় পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement