‘বাংলার উন্নয়ন মানেই দেশের অগ্রগতি’—জিন্দলের প্রশংসা মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে
Connect with us

স্টোরি

‘বাংলার উন্নয়ন মানেই দেশের অগ্রগতি’—জিন্দলের প্রশংসা মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ শালবনি আবার শিল্প মানচিত্রে জায়গা করে নিতে চলেছে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে পশ্চিম মেদিনীপুরের এই এলাকায় জিন্দল গোষ্ঠীর উদ্যোগে ৮০০ মেগা ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ার কাজের সূচনা হল। প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগে এই প্রকল্পকে ঘিরে নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয়রা। শিল্পের সম্ভাবনায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে গোটা অঞ্চলে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জিন্দল স্টিল অ্যান্ড পাওয়ারের চেয়ারম্যান সজ্জন জিন্দল বলেন, “দীর্ঘদিন পর শালবনিতে ফিরলাম। এখানে অভাবনীয় পরিবর্তন হয়েছে। এই উন্নয়নের পিছনে একমাত্র নাম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার অগ্রগতিই দেশের অগ্রগতি।”

আরও পড়ুনঃ শালবনি থেকে গর্ব বোধ করলেন দেব, অনেকে কাজ পাবেন: সৌরভ

তিনি জানান, প্রকল্পে ব্যবহৃত অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি জাপান থেকে আমদানি করা হবে এবং এই কেন্দ্রের সব কাজ পরিবেশ-বান্ধব প্রযুক্তিতে সম্পন্ন হবে। শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, স্থানীয় মানুষদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতেও উদ্যোগ নিচ্ছে জিন্দল গোষ্ঠী। একাধিক ট্রেনিং সেন্টার খোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যেখানে এলাকার যুব সম্প্রদায়কে প্রশিক্ষণ দিয়ে নিয়োগ করা হবে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে।

Advertisement
ads

জমির প্রসঙ্গ উঠতেই জিন্দল জানান, “এই প্রকল্প কৃষকদের জমিতেই গড়ে উঠছে। তাঁদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই দিদি আমাদের বারবার বলেছেন যাতে কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি উপকৃত হন।” এদিন একই মঞ্চ থেকে প্রায় ২ হাজার একর জমি নিয়ে নতুন একটি শিল্পপার্ক তৈরিরও ঘোষণা হয়। আশা করা হচ্ছে, এই প্রকল্পগুলির হাত ধরে বহু অনুষঙ্গ শিল্পও এখানে গড়ে উঠবে, যার ফলে গোটা অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক কাঠামোতে বড় রকমের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে শিল্পায়নের স্বপ্ন নিয়ে শালবনিতে জমি অধিগ্রহণ শুরু হলেও, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জটিলতায় তা থমকে গিয়েছিল। ২০১৬ সালে সিমেন্ট কারখানা চালু হলেও অধিকাংশ জমিই তখনও পড়েছিল অপ্রয়োজনে। প্রায় এক দশক পরে সেই জমিতেই এখন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো বড় প্রকল্পের শিলান্যাস, যা নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে শালবনির মাটিতে।

Continue Reading
Advertisement