নৃশংসতার চরম! স্ত্রীকে খুন করে দেহ ১৭ টুকরো করল পাষণ্ড স্বামী, ঝোপের ধারে মিলল মুণ্ডু
Connect with us

খুন

নৃশংসতার চরম! স্ত্রীকে খুন করে দেহ ১৭ টুকরো করল পাষণ্ড স্বামী, ঝোপের ধারে মিলল মুণ্ডু

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ এক মর্মান্তিক এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হলো মহারাষ্ট্র। স্ত্রীকে খুন করে তাঁর দেহ ১৭ টুকরো করে কেটে বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ থাকা এক তরুণীর সন্ধান করতে গিয়ে এই ভয়ঙ্কর ঘটনার উন্মোচন হয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, নিহত মহিলার নাম পারভিন ওরফে মুসকান মহম্মদ তাহা আনসারি (Parveen alias Muskaan Mohammad Taha Ansari), বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ২৮ বছর। গত ৩০ আগস্ট, রাজ্যের পালঘর জেলার মানিকপুর এলাকায় ঝোপের মধ্যে তাঁর কাটা মুণ্ডু উদ্ধার হয়। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ নিহত পারভিনের স্বামী মহম্মদ তাহা আনসারিকে (Mohammad Taha Ansari) জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। তাঁর কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়লে তাকে আটক করা হয়। জেরার মুখে শেষ পর্যন্ত সে তার স্ত্রীকে খুনের কথা স্বীকার করে।

তাহা পুলিশকে জানায়, খুনের পর সে তার স্ত্রীর দেহ ১৭টি টুকরোয় বিভক্ত করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দিয়েছে। অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, পুলিশ দেহের অন্যান্য অংশগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

Advertisement
ads

এই ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন মুসকানের মা হানিফা খান (Hanifa Khan) তার মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি পুলিশকে জানান যে গত দু’দিন ধরে মুসকানের ফোন বন্ধ ছিল এবং জামাই তাহাও তার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। পরে পুলিশ উদ্ধার হওয়া কাটা মুণ্ডুর ছবি দেখালে হানিফা খান সেটি তাঁর মেয়ে মুসকানের বলে শনাক্ত করেন।

পুলিশ বর্তমানে অভিযুক্ত তাহা আনসারিকে জেরা করে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ উদঘাটনের চেষ্টা করছে। খুনের কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনার গভীর তদন্ত নিশ্চিত করতে দুটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন একজন ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ (DCP) এবং একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব পুলিশ (ACP)। এই ঘটনাটি সমাজে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।