দেশের খবর
উৎসবের মরশুমে নাশকতার সতর্কতা, আইএসআই-র সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয়তা
ডিজিটাল ডেস্কঃ দেশে বড় নাশকতার ছক (Terror Plot) রুখতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি (Intelligence Agencies) সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI) ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (Rashtriya Swayamsevak Sangh, RSS) সদর দফতরকে নিশানা বানাচ্ছে। বিশেষ করে নাগপুর (Nagpur) সদর দফতরকে বড়সড় হামলার লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এছাড়া মধ্য প্রদেশ (Madhya Pradesh), পঞ্জাব (Punjab), হরিয়ানা (Haryana)-র আরএসএস দফতরগুলিকেও আইএসআই-র লক্ষ্যভূক্ত করা হয়েছে। নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, শুধুমাত্র আরএসএস নয়, ধর্মীয় স্থান ও বড় গণেশ মণ্ডপগুলোও (Ganesh Mandap) সন্ত্রাসী হুমকির আওতায় রয়েছে।
মহারাষ্ট্র জুড়ে ইতিমধ্যেই উচ্চ সতর্কতা (High Alert) জারি করা হয়েছে। গণেশ চতুর্থী (Ganesh Chaturthi) শুরু হওয়ায় মুম্বই (Mumbai) সহ অন্যান্য শহরে জনসমাগম বেশি। তাই বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। মন্দির, পাবলিক প্লেস ও মণ্ডপে পুনরায় তল্লাশি (Re-Inspection) করা হচ্ছে। ড্রোন (Drones), সিসিটিভি (CCTV) এবং বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল মোতায়েন করা হয়েছে। মুম্বইয়ে ১৭,০০০-এরও বেশি পুলিশ (Police) মোতায়েন থাকবে।
গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, আইএসআই এই মিশনের জন্য জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed), লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba) এবং একিউআইএস (AQIS)-কে সক্রিয় করেছে। পূর্ববর্তী অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)-এর পর দেখা গেছে, এই সংগঠনগুলিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে জইশ-ই-মহম্মদকে মাইক্রো ফান্ডিং (Micro Funding) করার মাধ্যমে মাসুদ আজহারের (Masood Azhar) পরিবার ৪৩৪ কোটি টাকা প্রদান করছে। এছাড়া তুরস্ক ও পশ্চিম এশিয়ার দেশ থেকেও আর্থিক সাহায্য পাচ্ছে তারা।
নিরাপত্তা সূত্রের অনুমান, এই অর্থ জঙ্গি প্রশিক্ষণ এবং হামলার লঞ্চ প্যাড তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। উৎসবের মরশুমে মহারাষ্ট্রে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াতে পারে।
সরকারি ও নিরাপত্তা সংস্থা সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। জনসাধারণকে পুলিশ নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে এবং বিশেষ করে জনসমাগমপূর্ণ স্থানগুলিতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


