ইজরায়েলের পতাকা হাতে অর্জুন সিং, উত্তাল রাজনীতি, অভিযোগ তৃণমূল বিধায়কের
Connect with us

ভোটের খবর

ইজরায়েলের পতাকা হাতে অর্জুন সিং, উত্তাল রাজনীতি, অভিযোগ তৃণমূল বিধায়কের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রাম নবমীর মিছিল ঘিরে নতুন বিতর্কের কেন্দ্রে অর্জুন সিং। ভাটপাড়ার রাম নবমীর মিছিলে ইজরায়েলের পতাকা ব্যবহারের ঘটনায় অর্জুন সিং ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করলেন তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম।

রবিবার রাম নবমী উপলক্ষে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের ভাটপাড়া ও জগদ্দল এলাকায় বের হয় ধর্মীয় মিছিল। সেই মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন বিজেপি নেতা ও ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং। মিছিলের মাঝেই তাঁর হাতে দেখা যায় ইজরায়েলের পতাকা। পাশাপাশি, বেশ কয়েকজন যুবকের হাতেও দেখা যায় একই পতাকা। আর তা নিয়েই শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর।

সোমবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, “রাম নবমীর মতো পবিত্র অনুষ্ঠানে অন্য দেশের পতাকা হাতে তুলে নেওয়ার কোনও যুক্তি নেই। অর্জুন সিং চাইছেন ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে ধর্মীয় কারণে বিশৃঙ্খলা তৈরি হোক। তিনি ইচ্ছে করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন।” তাঁর দাবি, “অর্জুন সিং যদি ইজরায়েলকে এতটাই পছন্দ করেন, তা হলে নিজের বাড়ির ছাদে সেই পতাকা ওড়াতে পারতেন। কি এমন দরকার ছিল যে তাকে রাম নবমির মিছিলে ইজরায়েলের পতাকা নিয়ে বেরতে হল। রাম নবমীর মিছিল কোনও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বার্তা দেওয়ার জায়গা নয়।”

আরও পড়ুনঃ জেলে যেতে হচ্ছে না, তবে দুর্নীতির অভিযোগ জারি থাকবে: বিকাশরঞ্জনের প্রতিক্রিয়া

Advertisement
ads

এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমনাথ শ্যাম অর্জুন সিং ও তাঁর কিছু অনুগামীর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট বলেন, “আজ ইজরায়েলের পতাকা, কাল অন্য দেশের পতাকা! এভাবে চলতে থাকলে বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট হবে।”

অন্যদিকে, এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে অর্জুন সিং বলেন, “মহরমে যদি প্যালেস্টাইনের পতাকা নিয়ে মিছিল করা যায়, তা হলে রাম নবমীতে ইজরায়েলের পতাকা কেন নয়? ইজরায়েল আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। ওরা হিন্দুদের বন্ধু, হিন্দু সংস্কৃতির সমর্থক। আমি সেই সমর্থন জানাতেই এই পতাকা নিয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “ইতিহাস ঘাঁটলেই দেখা যাবে, অতীতে তলোয়ার হাতে রাজপুত রাজারা ইজরায়েল রক্ষায় লড়েছেন। সেই দেশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মিছিলে সেই পতাকা ধরা অস্বাভাবিক নয়। পুলিশের সমস্যা একটাই, তারা শাসক দলের দাস। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য ও রাজনীতিতে ফের একবার ধর্মীয় ইস্যুতে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement