হাসিনাকে ঘিরে বিতর্কে মুখ খুললেন ইউনূস, ভারতের হস্তক্ষেপ চাইলেন
Connect with us

দেশের খবর

হাসিনাকে ঘিরে বিতর্কে মুখ খুললেন ইউনূস, ভারতের হস্তক্ষেপ চাইলেন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান বা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা নিয়ে মুখ না খোলা নিয়ে সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। তবে শুক্রবার থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্ককে বিমস্টেক সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর বৈঠকে সেই ‘বিতর্কিত নীরবতা’র জবাব যেন মিলল।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের তরফে জানানো হয়েছে, বৈঠকে ইউনূস স্পষ্ট বলেন, “ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ গভীরভাবে মূল্য দেয়। দুই দেশের বন্ধুত্ব একাত্তরের ঐতিহাসিক ভূমিকার উপরেই দাঁড়িয়ে। সেই সময় ভারতের সরকার ও জনগণের অবিচল সমর্থনের জন্য বাংলাদেশ কৃতজ্ঞ।”

বিশ্লেষকদের মতে, ২৬ মার্চের ভাষণে ওই বিষয়গুলো এড়িয়ে যাওয়াকে যে অনেকেই দৃষ্টিকটু বলে মনে করেছেন, সেই বিষয়টি বুঝেই মোদীর সঙ্গে বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন ইউনূস। ভারতের প্রধানমন্ত্রীও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক শুধুমাত্র সরকারের স্তরে নয়, বরং জনগণের সঙ্গে জনগণের।” বৈঠকে উঠে আসে বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গও। অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে হাসিনার ‘উস্কানিমূলক’ বক্তব্য ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে প্রচারিত হচ্ছে। সেই বিষয়ে মোদীকে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেন ইউনূস।

আরও পড়ুনঃঅধিকার রক্ষায় রাস্তায় লক্ষ মানুষ, ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে গর্জে উঠল আমেরিকা

Advertisement
ads

ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের পক্ষ থেকে অবশ্য বারবারই জানানো হয়েছে, হাসিনা যদি কোনও মন্তব্য করে থাকেন, তা একান্তই তাঁর ব্যক্তিগত মত, ভারতের দায় নয়। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ঘিরে ইতিবাচক সুর শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশের বিরোধী দল বিএনপি-র তরফে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “মোদী-ইউনূস বৈঠকে আমরা নতুন আশার আলো দেখছি। উভয় দেশের অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় এই আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তবে বৈঠকে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রসঙ্গটি তুললেও ইউনূস অভিযোগগুলো খারিজ করে দেন। তিনি জানান, বহু অভিযোগই অতিরঞ্জিত ও ভুয়ো। তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে আহ্বান জানান, সত্যতা যাচাই করতে সাংবাদিক পাঠাতে। পাশাপাশি, সরকার এমন ঘটনা রুখতে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।