হাসিনার অপসারণের পর সীমান্তে বাড়ছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ, নজরদারি আরও কঠোর করল ভারত
Connect with us

রাজনীতি

হাসিনার অপসারণের পর সীমান্তে বাড়ছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ, নজরদারি আরও কঠোর করল ভারত

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর দেশটির সীমান্ত থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের হার প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে অপসারিত হওয়ার পর থেকেই সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা বেড়ে গিয়েছে।

বুধবার সংসদে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানান, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ২৬০১ জন বাংলাদেশি সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টায় ধরা পড়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ধরা পড়ে ৮৭৯ জন, কিন্তু আগস্টের পর মাত্র ছয় মাসের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫৮৪-তে। মাসওয়ারি হিসাব বলছে, ২০২৪ সালের আগস্টে ২১৪ জন, সেপ্টেম্বরে ৩০০ জন, অক্টোবরে ৩৩১ জন, নভেম্বরে ৩১০ জন এবং ডিসেম্বরে ২৫৩ জন বাংলাদেশি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেছে।

আরও পড়ুনঃকেরলে গ্রেফতার আমেরিকার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ক্রিপ্টো প্রতারক

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, হাসিনার অপসারণের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক সংকট বাড়ার ফলে অনুপ্রবেশের হার বেড়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি আঁচ করেই আগেভাগে ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে, বাড়ানো হয়েছে বিএসএফের মোতায়েন এবং ব্যবহার করা হচ্ছে উন্নত প্রযুক্তি।

Advertisement
ads ads

সীমান্ত নজরদারিতে যুক্ত করা হয়েছে ‘হ্যান্ড হেল্ড থার্মাল ইমেজার’, যা দিয়ে ঝোপঝাড়ের আড়ালেও লুকিয়ে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সম্ভব। এছাড়াও, রাতের অন্ধকারে সীমান্ত নজরদারি চালানোর জন্য অত্যাধুনিক নাইট ভিশন ডিভাইস, ইউএভি (ড্রোন), সিসিটিভি, পিটিজেড ক্যামেরা এবং ইনফ্রারেড সেন্সর ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট বার্তা— বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত সরকার কোনও আপস করবে না। সীমান্তে নজরদারি আরও কঠোর করে যে কোনও অনুপ্রবেশের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

Continue Reading
Advertisement ads