জেলার খবর
রোগী ভর্তিতে প্রতারণা! অভিযোগ অ্যাম্বুলেন্স চালকের বিরুদ্ধে
নিউজ ডেস্ক: অ্যাম্বুলেন্স চালকের কারসাজি। সরকারি মেডিক্যালের পরিবর্তে নিয়ে যাওয়া হল বেসরকারি নার্সিংহোমে। যদিও জেলা স্বাস্থ্য দফতরের সক্রিয়তায় সংশ্লিষ্ট রোগীকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হল মালদা মেডিক্যাল কলেজে। ঘটনায় জেলা প্রশাসনের শোকজ বেসরকারি নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে।
রোগী ভর্তিতে প্রতারণা , সক্রিয় অ্যাম্বুলেন্স চক্র। সরকারী মেডিক্যাল কলেজে রেফার হওয়া রোগীকে ভুল বুঝিয়ে নিয়ে যাওয়া হল নার্সিংহোমে। যদিও জেলা স্বাস্থ্য দফতরের সক্রিয়তায় সংশ্লিষ্ট রোগীকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হল মালদা মেডিক্যাল কলেজে। জানা গিয়েছে, গাজোল থানার আলাল পাহাড়িভিটা এলাকার বাসিন্দা কুমার কোড়া শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে ১৭ই মার্চ গাজোল হাসপাতালে ভর্তি হন।
এরপর তাকে সেখান থেকে মালদা মেডিকেল কলেজে রেফার করা হয়। অভিযোগ যে অ্যাম্বুলেন্স করে ওই রোগীকে নিয়ে আসা হচ্ছিল সেই চালক পরিবারের সদস্যদের মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে ভুল বুঝিয়ে মালদার আমবাজার এলাকায় এক বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যায়।চিকিৎসার নামে চলে প্রহসন। প্রায় এক লক্ষ টাকার ওপর বিল করা হয় বলে অভিযোগ। টাকা দিতে না পারায় আটকে রাখা হয় রোগীকে।
আরও পড়ুন – ফের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে বাস, আহত ২০ জন যাত্রী
অন্যদিকে খবর পেয়ে স্বাস্থ্য দপ্তরের ডিস্ট্রিক্ট সার্ভেল্যান্স টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই রোগীকে উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির ব্যবস্থা করেন সেই সঙ্গে ওই নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। যদিও অ্যাম্বুলেন্স চালকদের নানাভাবে সর্তক করা হয়েছে জেলা প্রশাসনের তরফে।
এদিকে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সংশ্লিষ্ট নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ নিজেদের ভুল স্বীকার করেছেন। প্রকারান্তরে অ্যাম্বুলেন্স চালক মারফত রোগী ভর্তির বিষয়টিও মেনে নিয়েছেন।যদিও ওই রোগীকে প্রয়োজনীয় সমস্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল বলে দাবী তার। বর্তমানে রোগীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। পাশাপাশি তারজন্যে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নেওয়া হয়েছে বলে জা্না গিয়েছে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষর তরফে।
