আবহাওয়া
কলকাতার রাস্তায় জল থই থই, বেসরকারি সংস্থাকে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রীর
ডিজিটাল ডেস্কঃ টানা মেঘভাঙা বৃষ্টিতে (Heavy Rain) কার্যত স্তব্ধ কলকাতা (Kolkata)। শহরের রাস্তাঘাট এখন নদীর (River-like Roads) চেহারা নিয়েছে। কলকাতা ও তার আশেপাশের এলাকায় এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর (Deaths) খবর মিলেছে।
পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগাম দুর্গাপুজোর ছুটি (Durga Puja Holiday) ঘোষণা করেছেন সমস্ত স্কুলে (Schools)। এবার তিনি বেসরকারি সংস্থাগুলোকেও (Private Companies) অনুরোধ করেছেন যেন অন্তত দুই দিনের ওয়ার্ক ফ্রম হোম (Work from Home) চালু করা হয়।
মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, “খুব প্রয়োজন না হলে কেউ ঘর থেকে বেরবেন না।” কারণ শহরের একাধিক জায়গায় কোমর সমান জল (Waterlogging)। কোথাও এক হাঁটু, কোথাও গাছ উপড়ে পড়েছে (Fallen Trees), আবার কোথাও বিদ্যুতের তার (Electric Wire) ছিঁড়ে জলের মধ্যে পড়ে আছে— ফলে ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
শুধু কলকাতা নয়, জেলাগুলির অবস্থাও এক। দক্ষিণ শাখার ট্রেন পরিষেবা (Train Services) পুরোপুরি বন্ধ। দমদম থেকে কিছু ট্রেন চলছে বটে, তবে তার গতি অত্যন্ত ধীর। বাতিল (Cancelled) বহু ট্রেন। ময়দান থেকে ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা (Metro Services) সম্পূর্ণ বন্ধ। অটো (Auto) নেই বললেই চলে, আর বাসের সংখ্যা নগণ্য।
এই অবস্থায় মঙ্গলবার থেকেই সরকারি স্কুলগুলিতে ছুটি (Holiday) ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী টেলিফোনে এক সাক্ষাৎকারে জানান, “আমি শিক্ষাদপ্তরকে (Education Department) বলেছি সমস্ত স্কুল আজ থেকেই ছুটি ঘোষণা করুক।”
তিনি ICSE ও CBSE বোর্ডের (Board) স্কুলগুলোকেও দুই দিনের ছুটি দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। কলেজ (Colleges) ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে (Universities) অনুরোধ করা হয়েছে প্রয়োজন হলে অনলাইনে (Online) ক্লাস করাতে।
মুখ্যমন্ত্রীর আশঙ্কা, এমন দুর্যোগে শহরের জল নামার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও অন্তত দুই দিন সময় লাগবে। তার ওপর আবার নতুন করে নিম্নচাপ (Low Pressure) তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, ফলে বৃষ্টির আশঙ্কাও থেকেই যাচ্ছে।
তাই মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা স্পষ্ট: অফিস হোক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে সম্ভব, সেখানেই যেন বাড়ি থেকে কাজ বা পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হয়।


