৭ মে দেশজুড়ে যুদ্ধ মহড়া, কী কী করণীয় জেনে নিন আগেভাগে
Connect with us

হামলা

৭ মে দেশজুড়ে যুদ্ধ মহড়া, কী কী করণীয় জেনে নিন আগেভাগে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পহেলগাম (Pahalgam) জঙ্গি হানার রেশ না কাটতেই দেশের একাধিক রাজ্যে জরুরি মহড়ার নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (Ministry of Home Affairs)। ৭ মে, বুধবার, দেশের ২৪৪টি জেলায় এই মহড়া চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধপরিস্থিতির সম্ভাবনা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

সূত্রের খবর, কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলিকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে— এই মহড়ায় অংশ নিতে হবে জেলা প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী, হোমগার্ড, এনসিসি (NCC) ক্যাডেট, নেহরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের (Nehru Yuva Kendra) সদস্য ও স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের।

আরও পড়ুনঃ সীমান্ত উত্তেজনার মাঝে দেশজুড়ে মহড়া, পশ্চিমবঙ্গের ২৩ জেলায় কেন্দ্রের নির্দেশে সতর্কতা প্রস্তুতি

মহড়ার মূল উদ্দেশ্য কী?
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বিমান হামলার সতর্কতা, সাইরেন কার্যকর করা, সাধারণ নাগরিকদের প্রতিক্রিয়া ও প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। ব্ল্যাকআউট পরিস্থিতিতে মানুষ কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে, তারও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

Advertisement
ads

নাগরিকদের জন্য নির্দেশিকা:

  • সাইরেন বাজলে ঘরের ভিতরে আশ্রয় নিতে হবে।

  • দরজা-জানলা বন্ধ করে আলো নিভিয়ে ফেলতে হবে।

  • ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ করে সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট বজায় রাখতে হবে।

  • কারখানা ও প্রতিষ্ঠানগুলিতে ক্যামোফ্লাজ ও জরুরি প্রস্থানপথ প্রস্তুত রাখতে হবে।

  • কোনও গুজবে কান দেওয়া চলবে না, সরকারিভাবে প্রচারিত নির্দেশই মেনে চলতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গে কোথায় কোথায় মহড়া হবে?
বাংলার ২৩টি জেলায় অন্তত ৩১টি স্থানে এই মহড়া হবে। কোচবিহার, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, মালদহ, শিলিগুড়ি, গ্রেটার কলকাতা, দুর্গাপুর, হলদিয়া, খড়্গপুর, বার্নপুর, ফরাক্কা, চিত্তরঞ্জন, বালুরঘাট, আলিপুরদুয়ার, রায়গঞ্জ, ইসলামপুর, দিনহাটা, মাথাভাঙা, জলঢাকা, কার্শিয়াং, কোলাঘাট, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং মুর্শিদাবাদ— সব জায়গাতেই জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দ্রুত প্রস্তুতি নেওয়ার।

পহেলগামের ভয়াবহ হামলার (Pahalgam Terror Attack) পর থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে কেন্দ্র। এই মক ড্রিলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত রাখতে চায় সরকার।

Advertisement
ads