রাজ্যপালের রিপোর্টে কি রাষ্ট্রপতি শাসনের ছায়া? কী বলছেন সুকান্ত ও কুণাল?
Connect with us

রাজ্যের খবর

রাজ্যপালের রিপোর্টে কি রাষ্ট্রপতি শাসনের ছায়া? কী বলছেন সুকান্ত ও কুণাল?

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ওয়াকফ সংশোধনী বিলকে কেন্দ্র করে রাজ্যের মুর্শিদাবাদ ও মালদা জেলায় সাম্প্রতিক হিংসা ও উত্তেজনার ঘটনায় ক্রমেই গতি পাচ্ছে রাজনৈতিক তরজা। মুর্শিদাবাদের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণের অভিযোগ উঠে আসে। আতঙ্কে বহু মানুষ আশ্রয় নেন মালদার একাধিক স্কুলে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C.V. Ananda Bose) নিজে দুই জেলা পরিদর্শনে যান এবং ঘরছাড়া মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।

রাজ্যপালের সেই পরিদর্শনের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে জমা দেওয়া রিপোর্ট নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) একপ্রকার রিপোর্টকে সমর্থন করেই বলেন, “আমরা (BJP) কখনওই নির্বাচিত সরকারকে ফেলার পক্ষপাতী নই। তবে তৃণমূল সরকারের প্রতি মানুষের যে বিক্ষোভ, তা থেকেই তারা সরকারকে সরিয়ে দেবে।”

আরও পড়ুনঃ রাজ্যপালের মুর্শিদাবাদ অশান্তি রিপোর্টে তীব্র প্রতিবাদ, শাসক দলের মন্ত্রীদের কটাক্ষ 

তবে রাজ্যপালের ওই রিপোর্ট ঘিরে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তৃণমূল। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) কটাক্ষের সুরে বলেন, “রাজ্যপাল যদি কারও রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে রিপোর্টে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত শব্দচয়ন করে থাকেন, তবে তা একেবারেই শোভনীয় নয়।” তাঁর মতে, সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যপালকে নিরপেক্ষ থাকা উচিত।

Advertisement
ads

রাজ্য প্রশাসন ও শাসকদলের তরফে এই রিপোর্টকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে চিহ্নিত করা হলেও, বিজেপি তা একেবারেই অস্বীকার করেছে। ওয়াকফ আইন নিয়ে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজ্যের মাটি কতটা সরগরম হয়ে উঠতে পারে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে রাজনৈতিক পক্ষ-বিপক্ষের প্রতিক্রিয়া থেকেই।