চোর-পুলিশ খেলা মাঝসমুদ্রে! ছদ্মবেশে থাকা অভিযুক্তকে নাটকীয়ভাবে ধরল পুলিশ
Connect with us

প্রতারণা

চোর-পুলিশ খেলা মাঝসমুদ্রে! ছদ্মবেশে থাকা অভিযুক্তকে নাটকীয়ভাবে ধরল পুলিশ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ এ যেন সিনেমাকেও হার মানায়! নাবালিকাকে যৌন হেনস্তা (Sexual Harassment) করে ছদ্মবেশে পালিয়ে গা-ঢাকা দিয়েছিল অভিযুক্ত যুবক। তবে শেষরক্ষা হল না। একেবারে মাঝসমুদ্র (Mid-Sea) থেকে গ্রেপ্তার করল রানাঘাট জেলা পুলিশের (Ranaghat District Police) বিশেষ দল।

২০২৪ সালে পকসো (POCSO) আইনে দায়ের হওয়া এক যৌন হেনস্তার মামলায় (Sexual Assault Case) অভিযুক্ত ছিল হরিণঘাটার (Haringhata) এক যুবক। অভিযোগ, সে এক নাবালিকাকে (Minor Girl) শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছিল। মামলা দায়ের হতেই গা ঢাকা দেয় সে।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, অভিযুক্ত ক্রমাগত স্থান বদল করে আত্মগোপন করছে এবং দারুণ কৌশলে নিজেকে আড়াল করে চলেছে। গোপন সূত্র ও প্রযুক্তির সাহায্যে (Technical Surveillance) জানতে পারা যায়, সে নামখানা ও কাকদ্বীপ (Namkhana–Kakdwip) উপকূল অঞ্চলে লুকিয়ে আছে।

অভিযুক্ত যাতে ধরা না পড়ে, তার জন্য মৎস্যজীবীর ছদ্মবেশ (Fisherman Disguise) নেয় সে। একটি মাছ ধরার ট্রলারে উঠে গিয়ে একেবারে সমুদ্রে পৌঁছে যায়। পুলিশের কাছে খবর ছিল, অভিযুক্ত একটানা সপ্তাহখানেক (Around a Week) ওই ট্রলারে অবস্থান করছিল।

Advertisement
ads

এই অবস্থায় কৌশল নেয় পুলিশও। রানাঘাট জেলার বিশেষ তদন্তকারী দলও জেলের ছদ্মবেশে কাকদ্বীপ থেকে একটি নৌকায় ওঠেন। অনেক অনুসন্ধানের পর মাঝসমুদ্রে অভিযুক্তের ট্রলারটি চিহ্নিত হয়। প্রায় ১০ কিলোমিটার সমুদ্রপথে (10 KM into Sea) গিয়ে অভিযুক্তের সঙ্গে মিশে যান আধিকারিকরা।

সুযোগ বুঝে তাঁরা অভিযুক্তকে শনাক্ত করেন এবং মাঝসমুদ্রেই গ্রেপ্তার (Arrested at Sea) করা হয় তাকে। এরপর তাকে রানাঘাটে ফিরিয়ে আনা হয় এবং আদালতে পেশের প্রস্তুতি চলছে।

এই ঘটনাকে রাজ্য পুলিশের (State Police) তরফে “উল্লেখযোগ্য সাফল্য (Major Success)” হিসেবে দেখা হচ্ছে। পুলিশ কর্তারা জানান, অভিযুক্ত যতই কৌশলী হোক, আইনের হাত থেকে শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাওয়ার উপায় নেই।

Advertisement
ads

সাধারণ মানুষও পুলিশের এই সফল অভিযান দেখে প্রশংসায় মুখর (Widespread Praise)