বিজ্ঞান
আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালে মৃত্যুদণ্ড শেখ হাসিনার, ন্যায়বিচার পেলাম—বলছেন শহিদ সাঈদের বাবা
Digital Desk: বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল সোমবার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড (Death Sentence) প্রদান করেছে। রায় ঘোষণা হতেই আদালতকক্ষে হাততালি, কোর্ট চত্বরে উচ্ছ্বাস—অভূতপূর্ব দৃশ্য। এই রায়ে খুশির আবহ রংপুরের পীরগঞ্জের বাবনপুর জাফরপাড়ায়, যেখানে থাকতেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রথম শহিদ আবু সাঈদ (Abu Saeed)।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন বলেন, “অন্তরটা ঠান্ডা হইল।” তাঁর দাবি, হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে বাংলাদেশের মাটিতেই দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করা উচিত। সাঈদের মা মনোয়ারা বেগমের কথায়, “ছেলেটা নেই, দুঃখ তো আছেই… তবে ফাঁসির রায় যেন দ্রুত কার্যকর হয়।”
২০২৪ সালের জুলাইয়ে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কোটা (Quota) নিয়ে যে আন্দোলন শুরু হয়, সেখানেই ১৬ জুলাই পুলিশের **রবার বুলেট (Rubber Bullet)**ের আঘাতে প্রাণ হারান রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাঈদ। এরপর তিনিই হয়ে ওঠেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ।
এই মামলায় হাসিনার পাশাপাশি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং প্রাক্তন পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিনটি ধারায়—উসকানি (Incitement), হত্যার নির্দেশ (Order to Kill) এবং দমনপীড়ন রোধে পুলিশকে নিষ্ক্রিয় রাখা (Inaction)—দোষী প্রমাণিত হন তাঁরা। আসাদুজ্জামানকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, রাজসাক্ষী হওয়ায় আল-মামুনকে পাঁচ বছরের সাজা।
রায়কে অস্বীকার করেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, মৌলবাদী ও অনির্বাচিত স


