আইনজীবীর লাইসেন্স বাতিল মালদার তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু চৌধুরীর, আদালত অবমাননা মামলায় চাপে বার কাউন্সিল
Connect with us

ভাইরাল খবর

আইনজীবীর লাইসেন্স বাতিল মালদার তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু চৌধুরীর, আদালত অবমাননা মামলায় চাপে বার কাউন্সিল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি একাধারে মালদা জেলার তৃণমূল নেতা, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান ও তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক। এবার তাঁর নাম জড়াল আদালত অবমাননা ও আইনজীবী লাইসেন্স বাতিলের বিতর্কে। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে জানানো হয়, কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর (Krishnendu Narayan Choudhury) আইনজীবী হিসেবে এনরোলমেন্ট বাতিল করেছে পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিল।

সূত্রের খবর, ২০২২ সালে মালদার সিনিয়র আইনজীবী সঞ্জয় কুমার শর্মা কৃষ্ণেন্দুবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন, দাবি করে যে তিনি ব্যবসা ও প্রোমোটিংয়ের সঙ্গে যুক্ত। যা বার কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী আইনজীবীদের জন্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই বার কাউন্সিলকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

সঞ্জয় শর্মা জানান, তিনি হাইকোর্টে ২০২৩ সালে রিট দায়ের করেন। হাইকোর্ট বার কাউন্সিলের সভাপতিকে দু’মাসের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়। কিন্তু অভিযোগ, বার কাউন্সিল বিষয়টি ধামাচাপা দেয়। এরপর ২০২৫ সালে সঞ্জয় শর্মা আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেন। আদালত বার কাউন্সিলের সভাপতিকে হাজিরা দিতে নির্দেশ দেয় এবং ১১ জুলাইয়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে বলে।

আরও পড়ুনঃ জঙ্গলের গুহা থেকে উদ্ধার রাশিয়ান মহিলা ও তাঁর দুই কন্যা, ২০১৮ থেকে ভারতে অবৈধভাবে বসবাস!

Advertisement
ads

ফলত, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরীর আইনজীবী লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। তবে কৃষ্ণেন্দুবাবুর দাবি, “আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। হাইকোর্ট এখনও আমার এনরোলমেন্ট বাতিল করেনি।” যদিও সূত্র বলছে, বিষয়টি এখন আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছে এবং আগামী ৮ অগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারিত।

এই ইস্যুতে মালদা-সহ রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন তৈরি হলেও, তৃণমূল নেতৃত্ব এখনও পর্যন্ত চুপ। পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলের সভাপতি অশোক দেব বলেন, “আদালতের বিষয় আদালতেই বলব, বাইরের কিছু নয়।”

তবে প্রশ্ন উঠেছে— একজন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং আইনজীবী হয়েও কি কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী আইন লঙ্ঘন করেছেন? নাকি রাজনৈতিক শত্রুতা থেকেই এমন মামলা দায়ের? উত্তর পেতে চোখ থাকছে হাইকোর্টের পরবর্তী রায়ের দিকেই।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement