হুমায়ুনের বিস্ফোরক মন্তব্য: অধীরের সঙ্গে সমঝোতার ইঙ্গিত?
Connect with us

মুর্শিদাবাদ

হুমায়ুনের বিস্ফোরক মন্তব্য: অধীরের সঙ্গে সমঝোতার ইঙ্গিত?

জেলা সিন্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। অপূর্ব সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বললেন, প্রয়োজনে অধীর চৌধুরীর সঙ্গেও সমঝোতা সম্ভব। বিষয়টি নিয়ে আগামী সপ্তাহে বসছে শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি।

Dipa Chakraborty

Published

on

জেলা রাজনীতিতে তুঙ্গে উত্তেজনা। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে উত্তাল ভরতপুর। তৃণমূল (TMC) বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আবারও সরব জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকারের বিরুদ্ধে। তাঁর দাবি, জীবনকৃষ্ণের গ্রেফতারির পেছনে স্পষ্ট রাজনৈতিক অভিসন্ধি, এবং সেই অপারেশনের মূলচক্রী অপূর্ব সরকার। শুধু তাই নয়, জীবনকৃষ্ণের বাবাকেও নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হাত করা হয়েছিল — দাবি হুমায়ুনের।

এর পরেই সুর আরও চড়ালেন ভরতপুরের বিধায়ক। বললেন, প্রয়োজনে অধীর চৌধুরীর (Adhir Ranjan Chowdhury) সঙ্গেও সমঝোতা (Seat Adjustment) করতে পারেন তিনি। প্রশ্ন উঠছে — তাহলে কি দল ছাড়ার পথে হুমায়ুন?

তৃণমূলের মধ্যেই তীব্র আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই হুমায়ুনের আচরণ নিয়ে বসছে তৃণমূলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি (Disciplinary Committee)

এদিকে কয়েকদিন আগে অপূর্ব সরকার মন্তব্য করেছিলেন —

Advertisement
ads

“তৃণমূল কংগ্রেসকে যদি কেউ চ্যালেঞ্জ করে, সেই চ্যালেঞ্জ আমরা বিনয়ের সঙ্গে গ্রহণ করব।”

এর জবাবে হুমায়ুনের সোজা কটাক্ষ —

“২০১২ সালে কংগ্রেসের (Congress) বিধায়ক পদ ছেড়ে তৃণমূলে এলাম। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তে কী পেলাম? আমি রেজিনগরও দাঁড়াব, কান্দিতেও দাঁড়াব। দরকারে আর এক হুমায়ুনকে দাঁড় করাব। দেখব কত ধানে কত চাল।”

তারপরই আরও বিস্ফোরক মন্তব্য আসে —

“অধীর চৌধুরীকে ২০২৪-এ হারিয়েছি — ঠিক। কিন্তু দরকার পড়লে তাঁর সঙ্গেও সিট অ্যাডজাস্টমেন্ট করব। রাজনীতিতে সবই সম্ভব। অপূর্ব সরকারকে সাধারণ মানুষ করে দেব।”

তবে এখানেই থামেননি তিনি। ডেবরার বিধায়ক-সহ দলে আরও একজন হুমায়ুন কবীর-এর প্রতি অন্যায্য আচরণের অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

“ওকেও অপমান করা হচ্ছে। নিয়মিত কথা হয় আমাদের। বিধানসভার লবি, ফোন — সব জায়গাতেই। আমাদের যদি দল অপ্রাসঙ্গিক করে দেয় — আমরা কী করতে পারি, তা আমি বলেছি।”

সব মিলিয়ে ভরতপুরের রাজনৈতিক অন্দরে বিক্ষুব্ধ হাওয়ার ঝড়। তবে এই ঝড় শেষমেশ কোন দিকে মোড় নেয় — এখন সেদিকেই নজর রাজনীতির মহলে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement