‘প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা মেনে নেওয়া যায় না’! রামমন্দির কাণ্ডে মোদীকে যৌথ চিঠি দিলেন রাহুল ও খাড়্গে
Connect with us

দেশের খবর

‘প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা মেনে নেওয়া যায় না’! রামমন্দির কাণ্ডে মোদীকে যৌথ চিঠি দিলেন রাহুল ও খাড়্গে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ অযোধ্যার (Ayodhya) শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust)-এর অনুদান (Donation) সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) যৌথভাবে চিঠি লিখে ট্রাস্টের আর্থিক লেনদেনের (Financial Transactions) স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge)।

Congress Letters to pm modi on RAM TEMPLE DONATION THEFT

চিঠিতে দুই কংগ্রেস নেতা দাবি করেছেন, ট্রাস্টে জমা পড়া হাজার হাজার কোটি টাকার অনুদান নিয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। তাঁদের বক্তব্য, লক্ষ লক্ষ ভক্ত বিশ্বাস ও আস্থার সঙ্গে কষ্টার্জিত অর্থ দান করেছিলেন। সেই অর্থের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় ভক্তদের মধ্যে প্রতারিত হওয়ার অনুভূতি তৈরি হয়েছে।

রাহুল ও খাড়্গে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ অনুযায়ী সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীই ট্রাস্ট গঠনের ঘোষণা করেছিলেন। পাশাপাশি তাঁদের দাবি, ট্রাস্টের সদস্যদের নিয়োগ কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে হয়েছে এবং সদস্যদের অনেকেরই আরএসএস (RSS), বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদকও প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিরোধী নেতাদের দাবি, ট্রাস্টের নগদ অর্থ (Cash), সোনা (Gold), রুপো (Silver) এবং অন্যান্য সমস্ত অনুদানের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হোক। সেই তদন্তের রিপোর্ট এবং ট্রাস্টের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশেরও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা, যাতে ভক্তরা জানতে পারেন তাঁদের দান কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে, পদমর্যাদা বা প্রভাব নির্বিশেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে।

Advertisement
ads ads

উল্লেখ্য, রামমন্দির (Ram Mandir) ট্রাস্টের অনুদান সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত বর্তমানে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (Special Investigation Team-SIT) করছে। তবে এখনও পর্যন্ত তদন্তে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা সরকারি উপসংহার প্রকাশ করা হয়নি।

Continue Reading
Advertisement ads