'মোদী কে গিয়ে বল'-আমদের কথা মোদী শুনেছে এবং যোগ্য জবাবও দিয়েছে
Connect with us

হামলা

‘মোদী কে গিয়ে বল’-আমদের কথা মোদী শুনেছে এবং যোগ্য জবাবও দিয়েছে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পহেলগাঁও হামলা, যা এক বিভীষিকাময় স্মৃতিরূপে ভারতীয় উপমহাদেশে চিহ্নিত, ২৬ পরিবারের জন্য গভীর শোকের মুহূর্ত বয়ে এনেছিল। তবে সেই শোকের মধ্যে ভারতীয় সেনার ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) অভিযানে বিপুল শক্তি এবং প্রতিশোধের বার্তা এসেছে।

মঙ্গলবার গভীর রাতে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। এর মধ্যে বাহওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammad), মুরাক্কায় লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba) এবং হিজবুল মুজাহিদিন (Hizbul Mujahideen) এর সদর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে। এই অভিযান পরিচালনার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Prime Minister Narendra Modi) কঠোর নজরদারি ছিল, যা গোটা অপারেশনকে আরও কার্যকরী করে তুলেছিল।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানকে ফের ধাক্কা, ১০ পাক সেনার মৃত্যু অপারেশন সিঁদুরের পরে

অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে ভারতের সেনা পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে সন্ত্রাসীদের ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করে, পহেলগাঁও হামলায় নিহতদের পরিবারের জন্য কিছুটা হলেও শান্তির বাণী নিয়ে আসে, যদিও ক্ষত সেরে ওঠা একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া।

Advertisement
ads

হিমাংশী নারওয়াল (Himanshi Narwal), যিনি পহেলগাঁও হামলায় তার স্বামী লেফটেন্যান্ট জেনারেল বিনয় নারওয়াল (Lt. Gen. Vinay Narwal) কে হারিয়েছিলেন, জানান, “আমি বলেছিলাম, মাত্র ৬ দিন আগে আমার বিয়ে হয়েছে, দয়া করে ছেড়ে দিন। কিন্তু তারা বলেছিল মোদির কাছে গিয়ে দয়া ভিক্ষা করো। আজ, মোদিজি এবং আমাদের সেনা তাদের যোগ্য জবাব দিয়েছে। ২৬টি পরিবার যন্ত্রণা পেয়েছিল, সেই যন্ত্রণা আজ সীমান্তের ওপারে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।”

বিনয় নারওয়ালের বাবা রাজেশ নরওয়াল (Rajesh Narwal) বলেন, “এই ঘটনার পর আমি ভারত সরকারের উপর পূর্ণ বিশ্বাস রেখেছিলাম, এবং আজ তারা তাদের কাজ করেছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “যারা তাদের সন্তান হারিয়েছেন, তারা আর তাদের ফিরে পাবেন না, কিন্তু এই প্রত্যাঘাত সন্ত্রাসবাদীদের মনে ভয় ধরাবে। ভবিষ্যতে তারা কাপুরুষের মতো হামলা করতে ভয় পাবে।”

অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তান এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর ফলে পহেলগাঁও হামলায় নিহতদের পরিবারের মধ্যে কিছুটা শান্তি ও সমর্থন এসেছে, তবে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement