ভারতের ইতিহাসে প্রথমবার! ডিজিটাল ও জাতিভিত্তিক আদমশুমারির ঘোষণা
Connect with us

দেশের খবর

ভারতের ইতিহাসে প্রথমবার! ডিজিটাল ও জাতিভিত্তিক আদমশুমারির ঘোষণা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দেশের ইতিহাসে প্রথম ডিজিটাল এবং জাতিভিত্তিক আদমশুমারির তারিখ ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। এবার এই আদমশুমারিতে নাগরিকদের আয়, সামাজিক অবস্থা ও বাসস্থানের পাশাপাশি জাতি সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করা হবে বলে জানাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (Ministry of Home Affairs)। বরফাচ্ছন্ন অঞ্চল যেমন লাদাখ এবং উত্তর ভারতের দুর্গম এলাকাগুলিতে আদমশুমারি শুরু হবে ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে, এবং দেশের বাকি অংশে শুরু হবে ২০২৭ সালের ১ মার্চ থেকে।

এই মেগা প্রকল্পে দেশের প্রতিটি পরিবারের যাবতীয় সামাজিক-অর্থনৈতিক তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, মোট ৩০টিরও বেশি প্রশ্নে উত্তর দিতে হবে নাগরিকদের, যার মাধ্যমে সরকার নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান, আয়, শিক্ষাগত ও প্রযুক্তিগত অবস্থান এবং বসবাসের পরিবেশ বুঝতে পারবে।

এই প্রথমবার, জাতিভিত্তিক গণনার বিষয়টিও আনুষ্ঠানিকভাবে সংযোজন করা হচ্ছে। সরকার মনে করছে, এতে করে ভবিষ্যতের নীতি নির্ধারণ ও বাজেট পরিকল্পনা অনেক বেশি তথ্যনির্ভর হবে।

আরও পড়ুনঃ চিন্নাস্বামীতে পদপিষ্টের ঘটনায় গ্রেপ্তার RCB-র মার্কেটিং প্রধান, তদন্তভার হাতে নিল সিআইডি

Advertisement
ads

কী কী তথ্য চাওয়া হবে আদমশুমারিতে?

  • পরিবারের প্রধান সদস্যের নাম, বৈবাহিক অবস্থা এবং সন্তানের সংখ্যা

  • শিক্ষাগত যোগ্যতা

  • কর্মসংস্থান (সরকারি/বেসরকারি/স্বনিযুক্ত)

  • বাড়িতে মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে কি না

  • ব্যক্তিগত যানবাহনের মালিকানা (সাইকেল, মোটরবাইক, গাড়ি ইত্যাদি)

  • পরিবারের খাদ্যাভ্যাস – চাল না গম বেশি ব্যবহৃত হয়

  • পানীয় জলের উৎস এবং আলো জ্বালানোর পদ্ধতি

  • শৌচাগারের উপস্থিতি ও প্রকার

  • নিকাশির ব্যবস্থা, স্নানঘর, রান্নাঘর ও রান্নার জ্বালানির ধরন

এই ডেটা সংগ্রহে সাহায্য করার জন্য ১০০ জন ন্যাশনাল ট্রেনার (National Trainer) নিয়োগ করা হবে, যাঁরা সারা দেশে অন্য প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

২০১১ সালের পর দীর্ঘ সময় কেটে গিয়েছে। সেই সময়ের তুলনায় দেশের গৃহস্থালির কতটা অগ্রগতি হয়েছে, তা বিশ্লেষণ করতেই এই প্রশ্নমালা তৈরি করা হয়েছে বলে জানাচ্ছে মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় সরকারের মতে, এই তথ্য ভবিষ্যতের সামাজিক প্রকল্প ও উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার ভিত্তিপ্রস্তর রচনা করবে।

Continue Reading
Advertisement