মালদা
রেশন দোকানের মালিকানা নিয়ে কারচুপির অভিযোগে প্রতিবাদে সামিল গ্রাহকদের
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা, ২৩ মে : রেশন দোকানের ডিলারশিপ যার নামে রয়েছে তার পরিবর্তে দোকানের কাজকর্ম চালাচ্ছেন অপর একজন। ঘটনাটি ঘটেছেপুরাতন মালদার যাত্রাডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের মেহেরপুর এলাকায়। এলাকায় থাকা রেশন দোকান কেয়ামৎ শেখ এন্ড সন্সের মালিকানাধীন রয়েছে নূর শেখ ও নূর আলমের নামে।
রেশনের লাইসেন্স নূর ভাইদের নামে থাকলেও রেশন দেন রতন সরকার নামে এক ব্যক্তি। যিনি আবার এলাকায় শাসকদলের প্রভাবশালী নেতা। তাই রেশন নিতে কখনও নূর ভাইদের বাড়িতে কখনও রতন সরকারের বাড়িতে ছুটতে হয় গ্রাহকদের।সপ্তাহে মাত্র তিনদিন খোলা থাকে রেশন দোকান। এমনকি গ্রাহকদের প্রাপ্য রেশন না দিয়ে সেখানেও কারচুপির চালানোর অভিযোগ এনেছেন গ্রামবাসীরা।রবিবার এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান রেশন দোকানের গ্রাহকেরা।এই রেশনদোকানটিকে স্থানান্তরিত করে সেখানে নিয়ে আসারও প্রতিবাদ করেন ক্ষুব্দ গ্রাহকেরা।তারা রেশন ডিলার নুর আলমকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান।তপন সরকার নামে এক গ্রাহক বলেন, সপ্তাহ ভিত্তিতে এই রেশন দোকান খোলেনা। মাসে দুবার তিনদিনের জন্য দোকান খোলা হয়। তাও বেলা ১২টার পরে বন্ধ করে দেওয়া হয়। কাগজের স্লিপ দেওয়া হয় যার কোন নির্দিষ্টতা নেই। ফলে জিনিস নিতে এসে হয়রানিতে পড়তে হয় গ্রাহকদের। আর প্রাপ্য সামগ্রীতে কারচুপিতো নিত্যদিনের ব্যাপার। এই ঘটনাতেই এদিন বিক্ষোভে সামিল হন গ্রাহকেরা।এমনকী রেশন ডিলার নুর আলম বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের বিজেপির দালাল বলায় আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন গ্রাহকেরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে আসেন রতন সরকার। গ্রাহকদের পাশাপাশি সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদেরও তিনি হুমকী দেন বলে অভিযোগ।যদিও তিনি রেশন সামগ্রী প্রদানে কারচুপির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। শুরু থেকেই এখানে এভাবে রেশন দিয়ে আসা হচ্ছে বলে দাবী করেন রতন সরকার।
