পহেলগাঁও হামলার পর চার ইস্যুতে ভারত-পাক আলোচনা চায় ইসলামাবাদ
Connect with us

দেশের খবর

পহেলগাঁও হামলার পর চার ইস্যুতে ভারত-পাক আলোচনা চায় ইসলামাবাদ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্ক দুইমুখী নীতির কারণে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে সর্তকতা এবং শান্তিচুক্তির কথাবার্তার মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অগ্রগতি পাচ্ছে না। সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) নিজ দেশী সাংবাদিকদের সামনে জানিয়েছেন, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চারটি বিষয়ে আলোচনা চালাতে চায় ইসলামাবাদ (Islamabad)। তিনি একটি নিরপেক্ষ দেশের মাধ্যেমে আলোচনার প্রস্তাবও দিয়েছেন।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের (Dawn) প্রতিবেদন অনুযায়ী, শাহবাজ শরিফের উল্লেখ করা চারটি মূল আলোচনার বিষয় হলো— “কাশ্মীর (Kashmir), জল (Water), বাণিজ্য (Trade) এবং সন্ত্রাসবাদ (Terrorism)।”

উল্লেখযোগ্য, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও (Pahalgam) এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি (Indus Water Treaty) স্থগিত করে। এই সংকটের প্রেক্ষিতে ১২ মে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) জাতির উদ্দেশে ভাষণে বলেছেন, “জল আর রক্ত একসঙ্গে বইতে পারে না।”

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরে জঙ্গি দমনে সাফল্য, কিস্তওয়ারে ‘অপারেশন ত্রাসী’-তে নিকেশ ২ জঙ্গি

Advertisement
ads

পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সন্ত্রাসবাদের পাশাপাশি জল চুক্তি নিয়েও কথা বলতে চান। তিনি বলেন, ভারত শুধু সন্ত্রাসবাদের ওপর আলাপ করতে চাইলেও পাকিস্তান এই চারটি বিষয় নিয়ে আলোচনার জোর দাবি জানাবে। তবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার স্থান নিয়ে এখনও দ্বিধা রয়েছে। শাহবাজের মতে, ভারত চিন (China) এ আলোচনায় রাজি নয়। তাই সম্ভাব্য আলোচনার স্থান হতে পারে ইংল্যান্ড (England) অথবা সৌদি আরব (Saudi Arabia)। বিশেষভাবে, সৌদি আরব উভয়পক্ষের জন্যই স্বাচ্ছন্দ্যের জায়গা হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

এদিন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির (Asim Munir) এর পদোন্নতির বিষয়েও ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি জানান, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের (Nawaz Sharif) সঙ্গে আলোচনা করে মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল (Field Marshal) পদে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এভাবে, ভারত-পাকিস্তানের চলমান উত্তেজনার মাঝে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত মিলেছে। তবে জলবণ্টন চুক্তি স্থগিত ও সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে দ্বিধা কাটাতে পারলেই শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার পথে অগ্রগতি হতে পারে।

Advertisement
ads