পরিচয় ফাঁস মানেই মৃত্যু! পহেলগাঁও হামলার পর চরম সতর্কতা কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের
Connect with us

খুন

পরিচয় ফাঁস মানেই মৃত্যু! পহেলগাঁও হামলার পর চরম সতর্কতা কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পহেলগাঁওয়ে বৈসরন উপত্যকায় সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার পিছনে ছিল সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। নিরীহ পর্যটকদের পাশাপাশি জঙ্গিদের লক্ষ্যবস্তু ছিলেন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা ও তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরাও। এমনটাই দাবি করেছে লস্কর-ই-তৈবার শাখা সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’

এই ঘটনার পরই কেন্দ্রীয়ভাবে নির্দেশ জারি করা হয়েছে — সরকারি নিরাপত্তা এজেন্সির কর্মী ও আধিকারিকরা যেন বাইরে বেড়াতে গেলে নিজেদের পরিচয় গোপন রাখেন। বিশেষ করে কাশ্মীর ও উত্তর-পূর্ব ভারতে সফরকালে সতর্ক থাকার জন্য বলা হয়েছে। কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাতেও ইতিমধ্যেই এই বার্তা পৌঁছে গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পহেলগাঁও হামলার পর নড়ে চড়ে উঠল নিরাপত্তা বাহিনী, ১৪ জেহাদির তালিকা প্রকাশ

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পহেলগাঁওয়ে হামলার আগে থেকেই নিরাপত্তাকর্মীদের গতিবিধি এবং পরিচয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছিল জঙ্গিরা। এমনকী তিনজন বিচারকও তাঁদের টার্গেটে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা। সৌভাগ্যক্রমে তাঁরা স্থান পরিবর্তন করায় প্রাণে রক্ষা পান।

Advertisement
ads

জঙ্গিরা তাদের প্রচারে বলেছে, এই হামলা দিল্লি ও দিল্লিপন্থী গোষ্ঠীর জন্য ‘জাগরণ সংকেত’। তারা দাবি করেছে, দিল্লি পর্যটনের আড়ালে কেন্দ্রীয় সংস্থার কর্মীরা কাশ্মীরের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে এসেছিলেন। সেই কারণেই তাঁদেরও নিশানা করা হয়েছিল।

গোয়েন্দাদের আরও তথ্য অনুযায়ী, হামলায় নিহতদের মধ্যে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও সরকারি সংস্থার অন্তত তিনজন আধিকারিক রয়েছেন, যাঁরা পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। ঘটনায় জড়িত জঙ্গিরা বহুদিন ধরেই পর্যটকদের তথ্য সংগ্রহ করে আসছিল, যার মধ্যে ছিল তাঁদের পেশা এবং গন্তব্য সংক্রান্ত বিশদ তথ্য।

কাশ্মীরের পর্যটন নীতিমালার অংশ হিসেবে, রাজ্যে আগত পর্যটকদের পরিচয় ও ভ্রমণসূচি আগে থেকেই জানাতে হয়। এই ব্যবস্থার ফাঁক গলে জঙ্গিরা অনেক মূল্যবান তথ্য সংগ্রহ করে বলেই মনে করছে গোয়েন্দা মহল। এখন থেকে সেই প্রক্রিয়ায়ও কড়া সতর্কতা আরোপ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

Advertisement
ads