কাশ্মীর হামলার মাস্টারমাইন্ড সইফুল্লা কসৌরি, TRF-এর নাম জড়ালো তদন্তে
Connect with us

হামলা

কাশ্মীর হামলার মাস্টারমাইন্ড সইফুল্লা কসৌরি, TRF-এর নাম জড়ালো তদন্তে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের উপর ভয়াবহ জঙ্গি হানার পর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এলো নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য। গোটা হামলার পেছনে রয়েছে ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ বা TRF নামের সংগঠন। মুখ বদলে কাজ করা এই সংগঠন আসলে লস্কর-ই-তৈবারই এক সামনের সারির শাখা বলে গোয়েন্দাদের দাবি। এই হামলার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে সইফুল্লা খালিদ কসৌরি নামে এক দুর্ধর্ষ জঙ্গি, যাকে অনেকে লস্করের ডেপুটি চিফ বলেই জানেন।

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, TRF-এর যাবতীয় কৌশল ও অভিযান সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে সইফুল্লা। কাশ্মীর দখলের নীল নকশার অন্যতম রূপকার সে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি হাফিজ সইদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হওয়ায় পাকিস্তানে তার রয়েছে বিশেষ মর্যাদা। পাক সেনা ও আইএসআইয়ের সঙ্গে তার সম্পর্কও বেশ গভীর। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের অধিকৃত কাশ্মীরের কঙ্গনপুর এলাকায় সে সম্প্রতি একটি সভায় বক্তব্য রেখে ভারত বিরোধী আগ্রাসী মনোভাবের প্রকাশ করে।

আরও পড়ুনঃ পহেলগাঁও হামলায় বাংলার তিন পর্যটকের নৃশংস হত্যাকাণ্ড, নিহতদের মধ্যে সরকারি কর্মচারীও

বিশেষজ্ঞদের মতে, TRF-এর সৃষ্টির পেছনেও রয়েছে আইএসআই-এর পরিকল্পনা। ৩৭০ ধারা বাতিলের পর কাশ্মীর উপত্যকায় নতুন করে অস্থিরতা ছড়াতে এই ছদ্মবেশী সংগঠনের মাধ্যমে জঙ্গি কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে লস্কর-ই-তৈবা। আর এই সমগ্র চক্রের আর্থিক দিক সামলাচ্ছে সইফুল্লাই।

Advertisement
ads

এমনকি ফেব্রুয়ারির গোড়ায় খাইবার পাখতুনখাওয়া এলাকায় এক সমাবেশে ভারতে হামলার হুমকি দিয়েছিল সইফুল্লা। সে বলেছিল,’ আজ ২ ফেব্রুয়ারি। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাশ্মীর দখলের জন্য যা যা করার দরকার তা করব। আগামী দিনে আমাদের মুজাহিদিনরা হামলা আরও বাড়াবে।’ ওই সমাবেশের আয়োজন করেছিল পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও আইএসআই।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দুপুরের ভয়াবহ গুলিচালনার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সরকারি হিসাবে ২৮ জন নিহত হয়েছেন, তবে বেসরকারি সূত্রের মতে সংখ্যাটা ৩২। যাঁদের অধিকাংশই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেড়াতে আসা নিরীহ পর্যটক।

Continue Reading
Advertisement