ভাইরাল খবর
পুলিশের নাকের ডগায় অবাধে বালি পাচার! চাঞ্চল্য কোচবিহারে
ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যের অনান্য জেলার ন্যায় কোচবিহারের চ্যাংরাবান্ধাতে বালি পাচারকারিরা ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে। পুলিশের নাকের ডগায় অবাধে চলছে বালি পাচার। অভিযোগ, ধরলা নদী থেকে বালি পাচার করছে পাচারকারীরা। কিছুদিন আগেও মাথাভাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সন্দীপ গড়াই বালি পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরও রোখা যায় নি বালি পাচার।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ সত্বেও অবাধে চলছে বালি পাচার।একসময় এই বালি অবৈধভাবে পাচারের সঙ্গে নাম জড়ায় ভিলেজ পুলিশ ফিরোজ আলমের। সেই অভিযোগে ৬ মাসের জন্য সাসপেন্ড করা হয় তাকে।আবার ফের বালি পাচার নিয়ে সরগরম চ্যাংরাবান্ধা।শুক্রবার ফিরোজ আলমের বাবা অবৈধ ভাবে পাচার হতে থাকা বালির গাড়ি আটক করে মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
আরও পড়ুনঃপ্রায় ১২০০ মিটার এলাকা নদী ভাঙনের মুখে! আতঙ্ক এলাকায়
আবিলম্বে বালি পাচারকারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান তিনি। এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয় এলাকায়।আবেদর রহমানের অভিযোগ, ডিউটিতে থাকা অবস্থায় ফিরোজকে না পেয়ে ৬ মাসের জন্য তাঁকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এখন কিভাবে বালি পাচার হচ্ছে? কার মদতে হচ্ছ? তার দাবী আমার ছেলেকে মিথ্যে ভাবে ফাঁসানো হয়েছে।
যদিও মেখলিগঞ্জ পুলিশের এসডিপিও আশিস পি সুব্বা জানান, বালি পাচার বন্ধ হয়ে গেছে।যদি কেউ তা আবার শুরু করতে যায় তবে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে। পুলিশ কর্তারা কয়েকবার অভিযান চালানোর পর বালি পাচার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।আবার শুরু হয়েছে।আজ বেশ কিছু গ্রামবাসী ট্রাক্টর আটকে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।
