কোভিড সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তে সাধারন মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অস্থায়ী স্বাস্থ্যকর্মীরা।
Connect with us

রায়গঞ্জ

কোভিড সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তে সাধারন মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অস্থায়ী স্বাস্থ্যকর্মীরা।

Dipa Chakraborty

Published

on

নিজস্ব সংবাদদাতা , রায়গঞ্জ , ১১ মে : কোভিড সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তে দিশাহীন সাধারণ মানুষ। রাতবিরেতে হাসপাতাল বা সেফ হোমে ভর্তি বা চিকিৎসা সংক্রান্ত নানান বিষয়ে হয়রানীর মুখে পড়তে হচ্ছে অসহায় মানুষদের।

এই পরিস্থিতিতে সাধারন মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অস্থায়ী স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাদের উদ্যোগে হাসপাতাল চত্বরেই খোলা হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল রুম। এই কন্ট্রোল রুম থেকে কোভিড আক্রান্তদের ভর্তি থেকে শুরু করে সবধরনের চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য করোনায় যারা আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের যে কোনো মুহুর্তে চটজলদি চিকিৎসকের পরামর্শের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। সেইক্ষেত্রে অজানা নম্বর থেকে ফোন এলে অনেক সময় চিকিৎসকেরাও বিভ্রান্ত হয়ে ফোন রিসিভ করতে পারেন না। কিন্তু সেক্ষেত্রে সরকারি এবং বেসরকারিভাবে রায়গঞ্জে যত চিকিৎসক আছেন তাদের সাথে চিকিৎসা সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন থাকলে অস্থায়ী কন্ট্রোল রুমের নম্বরে ফোন করলেই রোগের ধরন অনুযায়ী বা রোগি ও তাদের পরিবারের চাহিদা অনুযায়ী সেইসমস্ত রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে দেওয়াটাই তাদের উদ্দ্যেশ্য বলে জানিয়েছেন এই স্বাস্থ্যকর্মীরা।

পাশাপাশি হাসপাতাল বা সেফ হোমে ভর্তি ও রোগীর প্রতিদিনকার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে ও অবহিত করা হচ্ছে বাড়ির লোকেদের। হাসপাতালের তৃনমুল অস্থায়ী স্বাস্থ্যকর্মী সংগঠনের সভাপতি প্রশান্ত মল্লিক জানান, এতে মানুষ যে একা নন, আমরা স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের পাশে সব সময় আছি সেটার বার্তা দিতেই এই উদ্দ্যোগ। সরকারিভাবেও কোভিডের কন্ট্রোল রুম রয়েছে, তবুও অনেক মানুষের সাথে আমাদের যোগাযোগ রয়েছে, তারা যাতে বিভ্রান্ত না হন এমনকি চিকিৎসকদের কাছেও যাতে ভরসাযোগ্য পদ্ধতিতে যোগাযোগ করা যায় সে কারনেই এই চিন্তা করে আমরা কয়েকজন মিলে পালা করে এভাবে কন্ট্রোল রুম চালিয়ে যাচ্ছি। এদিকে এই উদ্দ্যোগ যথেষ্টই সহায়ক বলে জানিয়েছেন রোগি ও তাদের আত্মীয়রা। অস্থায়ী কর্মীদের এই উদ্যোগে খুশী চিকিৎসকেরাও।