ইসলামাবাদ শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হতেই ট্রাম্পের কড়া পদক্ষেপ! হু হু করে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম
Connect with us

বিশ্বের খবর

ইসলামাবাদ শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হতেই ট্রাম্পের কড়া পদক্ষেপ! হু হু করে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ইরান-আমেরিকা দ্বন্দ্বে ফের ঘনীভূত হচ্ছে যুদ্ধের কালো মেঘ। ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠক (Peace Talks) কোনো সমাধান ছাড়াই ভেস্তে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কড়া পদক্ষেপ নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সেন্ট্রাল কম্যান্ড (US Central Command) সোমবার সকাল ১০টা থেকে ইরানের বন্দরে ঢোকা এবং বেরোনোর সমস্ত পথ কার্যত অবরুদ্ধ (Blockade) করে দিয়েছে। এর ফলে ইরান ও ওমান উপকূল দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলো বড় সংকটের মুখে পড়েছে।

আমেরিকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের বন্দরগামী বা ইরান থেকে আসা সমস্ত দেশের জাহাজই আটক করা হবে। তবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পারাপার হওয়া অন্যান্য দেশের ট্রানজিট জাহাজের পথ আটকানো হবে না, যদি তারা মার্কিন নৌসেনার সঙ্গে যোগাযোগ (Communication) বজায় রাখে। মূলত পেট্রোডলারের (Petrodollar) একাধিপত্য বজায় রাখতে এবং চিনা মুদ্রা ইউয়ানের (Yuan) মাধ্যমে তেলের কারবার ঠেকাতেই ট্রাম্প এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই অবরোধের সরাসরি প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলের দামে (Crude Oil Price)। সোমবার সকালে বাজার খুলতেই ডব্লিউটিআই (WTI) ক্রুডের দাম ৮ শতাংশ বেড়ে ১০৪.২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে এবং ব্রেন্ট ক্রুড ৭ শতাংশ বেড়ে ১০২.২৯ ডলারে পৌঁছেছে। যা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Advertisement
ads

বিশেষজ্ঞদের (Experts) মতে, ভারতের জন্য এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারণ ভারত তার তেলের চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশই আমদানি (Import) করে, যার বড় অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। ইরানের বন্দর অবরুদ্ধ হওয়ায় সরবরাহ ব্যাহত হলে ভারতে জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাকের কোয়ালিবাফ স্পষ্ট হুমকি দিয়েছেন যে, এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে মহাপ্রলয় দেখা দেবে। এখন দেখার, হরমুজ প্রণালীর জল কি শেষ পর্যন্ত শান্ত হয় নাকি মুদ্রার লড়াইয়ে পুড়বে বিশ্ব অর্থনীতি।