শত্রুর তেলেই ভরসা আমেরিকার! আকাশছোঁয়া দর নিয়ন্ত্রণে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত
Connect with us

বিশ্বের খবর

শত্রুর তেলেই ভরসা আমেরিকার! আকাশছোঁয়া দর নিয়ন্ত্রণে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের দামামা বাজার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের (Fuel oil) বাজারে আগুন লেগেছে। এই অগ্নিমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে এবার চরম শত্রুর বিরুদ্ধেই নমনীয় হওয়ার পথে হাঁটছে আমেরিকা। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি (Treasury Secretary) স্কট বেসেন্ট সম্প্রতি জানিয়েছেন, বৈশ্বিক তেলের সরবরাহ স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে সমুদ্রে ভাসমান ইরানের ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা (Sanctions) শিথিল করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সংঘাত শুরু হওয়ার পর ব্রেন্ট ক্রুডের (Brent Crude) দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৬ ডলারে পৌঁছেছে। জ্বালানি পরিকাঠামোয় হামলা-পাল্টা হামলার জেরে বিশ্ববাজারে সরবরাহে টান পড়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে, আমেরিকা আগেই রাশিয়ার ১৩০ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিল। অথচ এই স্কট বেসেন্টই একসময় ভারতের রুশ তেল কেনার কড়া সমালোচনা করেছিলেন।

বর্তমানে হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Hormuz) কয়েকশ ট্যাঙ্কার আটকে রয়েছে। সংকীর্ণ এই জলপথটি বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরান দাবি করেছে, আমেরিকা বা ইজরায়েলের সাথে সম্পর্কহীন জাহাজগুলোকে তারা আটকাবে না। ইতিমধ্যে ওমান উপকূলে বিভিন্ন হামলায় ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এই সংকটের মাঝেই মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট দাবি করেছিলেন, ভারতের সাথে ইরানের কোনো গোপন চুক্তি হয়েছে, যা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S. Jaishankar)। সব মিলিয়ে, জ্বালানি নিরাপত্তা (Energy security) বজায় রাখতে আমেরিকা এখন তাদের ঘোষিত শত্রুর তেলের ওপরেই ভরসা করতে বাধ্য হচ্ছে।

Advertisement
ads