বিশেষ এই দিনে বিশ্বের নানা প্রান্তে উন্মুক্ত মঞ্চে গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা। প্যারিস থেকে দিল্লি, মুম্বই থেকে কলকাতা— নানা শহরে রাস্তায়, পার্কে, ক্যাফেতে গান, বাদ্যযন্ত্রের সুরে মুখরিত হয়ে ওঠে পরিবেশ। বহু দেশে এই দিনটিতে কোনও টিকিট ছাড়াই মিউজিক কনসার্ট আয়োজন করা হয়, যাতে সংগীত পৌঁছে যায় সাধারণ মানুষের হৃদয়ে।
বিশ্ব সংগীত দিবসের মূল বার্তা একটাই— সংগীতকে কোনও ভাষা, দেশ বা জাতি দিয়ে সীমাবদ্ধ করা যায় না। সুরের কোনও দেয়াল নেই, গান সকলের।
আরও পড়ুনঃ বিল পাস হতেই আনন্দে কাঁদলেন বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা, ব্রিটেনে স্বেচ্ছামৃত্যু আইনি স্বীকৃতি পেল
বিশেষজ্ঞদের মতে, সংগীত শুধু বিনোদন নয়, এটি মন ও শরীরের এক গুরুত্বপূর্ণ থেরাপি। মানসিক চাপ, উদ্বেগ কমাতে সংগীতের জুড়ি নেই। তাই আজকের দিনে বিশ্বজুড়ে বার্তা— ‘গানকে ভালবাসুন, সংগীতকে বাঁচান’।
কলকাতার একাধিক সংগীত প্রতিষ্ঠান আজ বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। ছোট-বড় শিল্পীরা স্ট্রিট পারফর্মেন্সে অংশ নিচ্ছেন। অনেক স্কুল, কলেজেও আজ দিনটি উদযাপিত হচ্ছে সংগীতের নানা কর্মশালার মাধ্যমে।
বিশ্ব সংগীত দিবসে আজ আবার নতুন করে মনে পড়ে যায় সেই প্রবাদ— “Where words fail, music speaks”। অর্থাৎ, যেখানে ভাষার সীমা, সেখানে সুর কথা বলে।
আপনি কি আজ প্রিয় গান শুনেছেন? যদি না শুনে থাকেন, আজই কিছু সময় দিন আপনার প্রিয় সুরকে। কারণ আজ সংগীতের উৎসব, সুরের দিন!