সকালে লালবাজার থেকে বেরিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান সুকান্ত। তিনি বলেন, “এই রাজ্যে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। পুলিশকে ব্যবহার করে সরকার বিরোধী কণ্ঠকে দমন করছে। আমরা তাই ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ডে সই করতে অস্বীকার করেছি। এটাই আমাদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অংশ।” তাঁর দাবি, প্রথমে পুলিশ বেল বন্ডে সই করতে বললেও পরে নিজেরাই জানান, সই ছাড়াই মুক্তি মিলবে।
আরও পড়ুনঃ পুরীর গুন্ডিচা মন্দিরে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট, মৃত্যু ৩ পুণ্যার্থীর, আহত অর্ধশতাধিক
সুকান্তর আরও অভিযোগ, “আমাদের কেন ধরা হল, তার কোনও যুক্তিসঙ্গত উত্তর পুলিশের কাছে নেই। নিছক রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে আমাদের আটক করা হয়েছে।” তিনি জানান, মোট ৩২ জন বিজেপি নেতা-কর্মী (BJP workers) এই ‘জামিন প্রত্যাখান আন্দোলনে’ শামিল হয়েছিলেন। সুকান্তের কথায়, “আমরা দেখাতে চাই, পুলিশের ক্ষমতা বড়, না জনগণের অধিকার নিয়ে লড়তে থাকা বিজেপির সাহস। এ লড়াই চলবে রাজ্যজুড়ে।”
প্রসঙ্গত, শনিবার দুপুরে গড়িয়াহাট মোড়ে কসবা গণধর্ষণ-কাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল বিজেপি। সেই সময় পুলিশের হস্তক্ষেপে আটক হন সুকান্ত-সহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা। কসবা আইন কলেজের এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজ্যের শাসক দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। সুকান্ত বলেন, “গত আট মাসে শহরে দুটি ধর্ষণ-কাণ্ড—একটিতে নির্যাতিতা প্রাণ হারিয়েছেন (আর জি কর কাণ্ড), আরেকজন মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেছেন (কসবা কাণ্ড)। প্রশাসন কী করছে?”
এই ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপ ও শাসক দলের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। বিজেপির হুঁশিয়ারি—দমিয়ে রাখা যাবে না, আন্দোলন আরও তীব্র হবে।