নারী সুরক্ষা ও অনুপ্রবেশকে একসূত্রে বেঁধে খড়্গ হাতে নেওয়ার আহ্বান দিলেন শুভেন্দু
Connect with us

ভাইরাল খবর

নারী সুরক্ষা ও অনুপ্রবেশকে একসূত্রে বেঁধে খড়্গ হাতে নেওয়ার আহ্বান দিলেন শুভেন্দু

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা (voter list) নিয়ে আলোচনার উষ্ণতা চলছেই — এ মাঝেই ফের অনুপ্রবেশকারী (infiltrators/illegal immigrants) ইস্যু ঘিরে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গতকাল পূর্ব মেদিনীপুরের নিউ দিঘায় (New Digha, East Medinipur) অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি কড়া অবস্থান নিয়েছেন এবং অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে তৎপরতা বাড়ানোর আভাস দিয়েছেন।

শুভেন্দু বলেন, “অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াবই। কোনও অনুপ্রবেশকারীকে আমাদের দেশে রাখব না।” তিনি আগেই দাবি করেছেন, বিশেষ করে যদি স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) হয়, তখন রাজ্যের ভোটার তালিকা থেকে কোটি দেড়েকেরও বেশি নাম কাটা যেতে পারে — এমনই জোরদার বক্তব্য ছিল তাঁর। নন্দীগ্রাম (Nandigram)-এও, তাঁর অভিযোগ, অনুপ্রবেশকারীদের নাম রয়েছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

একইসঙ্গে শুভেন্দু অনুপ্রবেশ ইস্যুকে ছাড়াছাড়ি নিয়ে এনে যুক্ত করেছেন নারী সুরক্ষা (women’s safety)-র প্রসঙ্গ। তাঁর ভাষায়, “নারী সুরক্ষার জন্য অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে তাড়ানো হবেই। এই অনুপ্রবেশের কারণে আপনার, আমার বাড়ির ছোট ছোট মেয়েরাও আজ নিরাপদ নয়।” তিনি আলাদা করে বলেছেন, সীমানা অতিক্রম করে যারা অনুপ্রবেশ করেছে — তাদের অনুপ্রবেশকারী বলা হবে; আর যারা অত্যাচার সইয়ে সীমান্ত পেরিয়ে আশ্রয় চেয়েছেন, তাদের শরণার্থী (refugees) বলা যাবে এবং তাঁদের সঙ্গে নমনীয় হওয়া উচিত।

তবে বক্তব্যের সবচেয়ে সম্ভাব্য বিতর্কিত অংশে শুভেন্দু রাজ্যের নারীদের নিজেদের হাতে খড়্গ (kharga/sword) তুলে নেওয়ার কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “আমার মাটি, আমার দেশ — ধর্ষকদের করব শেষ। সমস্ত মহিলার মধ্যে আমরা দেবী দুর্গার (Devi Durga) মুখ দেখি। দেবী দুর্গার ত্রিশূল ও মা কালীর (Ma Kali) খড়্গ রাখতে হবে। মেয়েদের উপর অত্যাচার হলে খড়্গ নিয়ে শাস্তি দিক।”

Advertisement
ads ads

শুভেন্দুর এই আহ্বানে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূলবিরোধী কণ্ঠও — উত্তর হিসেবে তৃণমূলের সেলিব্রিটি সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, “মায়ের খড়্গ একজনের হাতেই রয়েছে। তিনি আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর হাতেই খড়্গ মানায়। আর কারও হাতে মানায় না।”

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে অনুপ্রবেশ, ভোটার তালিকা সংস্কার ও নারী সুরক্ষা—এই তিনটি টকটকে বিষয়ই এখন নাড্ডা-বিরোধিতার কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়েছে। শুভেন্দু-র মন্তব্যগুলো কেবলই তুমুল বিতর্ক ডেকে আনবে না, বরং নিরাপত্তা নীতি ও রাজনৈতিক ভাষ্যের সংজ্ঞাকেও প্রভাবিত করতে পারে—বিশেষ করে নির্বাচনঘণ্টা যতই নিকটে আসছে।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads