ভাইরাল খবর
রেল বাংলোর ‘অবৈধ দখল’ ইস্যুতে তদন্তে রেল, দিলীপ ঘোষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
ডিজিটাল ডেস্কঃ খড়্গপুর রেল ডিভিশনের ‘৬৭৭ নম্বর’ বাংলো ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্ক এবার প্রশাসনিক পদক্ষেপের মুখে। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, কোনও বরাদ্দ ছাড়াই ওই বাংলো অবৈধভাবে দখল করে রাখা হয়েছে। প্রাক্তন রেল প্যাসেঞ্জার সার্ভিস কমিটির সদস্য তুষারকান্তি ঘোষকে ১৭ এপ্রিলের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে—কেন তাঁকে ‘জবরদখলকারী’ হিসেবে ধরা হবে না?
খড়্গপুর শহরের সাউথ সাইড এলাকায় অবস্থিত এই বাংলোতে দীর্ঘদিন ধরেই বসবাস করছেন বিজেপি নেতা ও প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। যদিও রেলের নথিপত্র বলছে, ২০২০ সালের মার্চে তুষারকান্তি ঘোষের নামেই শেষবার বরাদ্দ হয়েছিল বাংলোটি। সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত নতুন করে কোনও বরাদ্দ হয়নি। তবুও বাংলোটি ‘বিনা ভাড়ায় এবং অবৈধভাবে’ ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই অবস্থায় রেল কর্তৃপক্ষ কড়া অবস্থান নিয়েছে। তুষারকান্তি ঘোষকে নোটিস দিয়ে ২১ এপ্রিল দুপুর ১টার মধ্যে খড়্গপুর ডিভিশনের এস্টেট অফিসারের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। রেল আরও জানিয়েছে, বাংলো বরাদ্দ সংক্রান্ত যাবতীয় নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ সুপ্রিমের রায়ে মন্তব্য! মমতাকে আইনি নোটিশ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার : SSC কান্ড
এ নিয়ে খড়্গপুর ডিভিশনের ডিআরএম কে আর চৌধুরী বলেন, “নোটিসে যা বলার বলা হয়েছে, এর বেশি বলার কিছু নেই।” অন্যদিকে, এই বাংলোর ভবিষ্যৎ অ্যালটমেন্ট প্রসঙ্গে ডিভিশনের সিনিয়র ডিসিএম অলোক কৃষ্ণা বলেন, “এখনই এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।”
রেল বাংলো দখল এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ নতুন নয়, তবে খড়্গপুরের এই ঘটনা ফের প্রমাণ করল, প্রশাসনিক নজরদারির বাইরেও রাজনৈতিক প্রভাব কতটা কার্যকরী হতে পারে। এখন দেখার, রেলের এই পদক্ষেপ আদৌ কোন পরিণতির দিকে এগোয়।
