হামলা
বিমানঘাঁটির পরে সেনা সদর দপ্তরেও হামলার দাবি, নাজেহাল পাকিস্তান
ডিজিটাল ডেস্কঃ ড্রোন হানার পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে শুক্রবার গভীর রাতে পাকিস্তানের (Pakistan) মাটিতে শক্তিশালী প্রত্যাঘাত হানল ভারত (India)। একাধিক পাক সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাওয়ালপিন্ডির নুর খান (Nur Khan) বিমানঘাঁটি, পাঞ্জাব প্রদেশের শোরকোট এলাকার রফিকি এয়ারবেস (Rafiqui Airbase) এবং মুরিদ বিমানঘাঁটি (Murid Airbase)। রাতভর বিস্ফোরণের আওয়াজে কেঁপে উঠেছে পাকিস্তানের আকাশ।
এর আগে সন্ধ্যা নামতেই জম্মু (Jammu) থেকে গুজরাট (Gujarat) পর্যন্ত ভারতের ২৬টি অঞ্চলে লাগাতার ড্রোন হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তান। যদিও অধিকাংশ ড্রোনই ভারতীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defence System) গুঁড়িয়ে দেয়, পাঞ্জাবের ফিরোজপুরে (Firozpur) হামলায় তিনজন আহত হন।
আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক মহলে ‘সিঁদুর’-এর প্রতিপত্তি, পাল্টা পদক্ষেপে পাকিস্তান
এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) রাতেই জরুরি বৈঠক করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh), বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর (S. Jaishankar) এবং তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে। বৈঠকের কিছুক্ষণের মধ্যেই পাকিস্তানের একাধিক সংবাদমাধ্যম এবং সামরিক সূত্র জানায়, রাতের শেষভাগে তিনটি পাক বিমানঘাঁটিতে প্রবল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পাক সেনার এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই বিস্ফোরণগুলি ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফল। যদিও ইসলামাবাদের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলায় তেমন কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
এছাড়া আরও এক গুরুত্বপূর্ণ দাবি উঠে আসে—পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে (Islamabad), সেনা সদর দপ্তরের (GHQ) কাছাকাছিও একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয় বলে জানায় দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ।
হামলার ভয়াবহতা বুঝে শুক্রবার রাতেই পাকিস্তান তাদের আকাশসীমা (Airspace) বন্ধ করে দেয়। রাডার চিত্রে দেখা যাচ্ছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত যেখানে বিভিন্ন বাণিজ্যিক বিমান পাক আকাশে উড়ছিল, সেখানে রাত নামতেই আকাশ একেবারে ফাঁকা। ইসলামাবাদের তরফে ঘোষণা করা হয়, যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে শনিবার দুপুর পর্যন্ত সমস্ত উড়ান বন্ধ রাখা হবে।
