বিজ্ঞান
সৌরজগতের পথে ছুটছে রহস্যময় বস্তু, আক্রমণের বার্তা কি বহন করছে 3I/ATLAS?
ডিজিটাল ডেস্কঃ পৃথিবী জুড়ে যখন একের পর এক যুদ্ধ ও সংঘর্ষের আবহ, ঠিক তখনই মহাশূন্য থেকেও নতুন আশঙ্কা উঁকি দিচ্ছে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও বিখ্যাত বিজ্ঞানী আবি লোব (Avi Loeb) সম্প্রতি এমনই এক বিস্ফোরক দাবি করে জানান, সূর্যের দিকে ধেয়ে আসা একটি Interstellar Object (আন্তঃনাক্ষত্রিক বস্তু) আদতে কোনও ধূমকেতু নয়, বরং একটি Alien Surveillance Device অর্থাৎ ভিনগ্রহীদের কৃত্রিম চর।
এই বস্তুটির নাম 3I/ATLAS, যা গত ১ জুলাই প্রথম চিহ্নিত করা হয়। গতি প্রায় ২,১০,০০০ কিমি প্রতি ঘণ্টা, আকারে ১১.২ কিমি। নাসা সহ বিজ্ঞানীদের অনেকেই এটিকে একটি সাধারণ ধূমকেতু হিসেবে দেখলেও, অধ্যাপক আবি এবং তাঁর দুই সহ-গবেষক অ্যাডাম হিবার্ড ও অ্যাডাম ক্রোল তাঁদের গবেষণাপত্রে (প্রকাশিত: arXiv, ১৭ জুলাই) জানাচ্ছেন, এর গতি ও গতিপথ অনেক বেশি anomalous, যা একটি সাধারণ মহাজাগতিক বস্তু হিসেবে ব্যাখ্যা করা কঠিন।
Here is a time lapse of comet 3I/ATLAS recorded with my 8″ LX200. The comet is about magnitude 17, right at the limit of what my scope can capture with these 60 second exposures. It’s extremely faint, so I also stacked 65 minutes of light aligned on the comet using astrometry. pic.twitter.com/ROT8fdkkcW
— Astronomy Live (@astroferg) July 21, 2025
আরও পড়ুনঃ মমতার আগমনের আগে উত্তাল বীরভূম! তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে তীব্র চাঞ্চল্য
গবেষণায় বলা হয়েছে, 3I/ATLAS ধীরে ধীরে Mars, Jupiter ও Venus-এর গা ঘেঁষে সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছবে নভেম্বর মাসে। তখন আর পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান থাকবে না। অধ্যাপক আবির মতে, “এটি পরিকল্পিত ভাবে এমন পথেই আসছে যাতে Earth Surveillance এড়ানো যায়।”
তিনি আরও বলেন, 3I/ATLAS আসলে একটি disguised artificial object, যার মাধ্যমে হয়তো আমাদের সৌরজগত পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্য রয়েছে। বিজ্ঞানীমহলে প্রচলিত ‘Dark Forest Theory’-এর সঙ্গে একমত হয়ে আবি দাবি করেছেন, বুদ্ধিমান ভিনগ্রহী সভ্যতা নিজেদের অস্তিত্ব গোপন রাখতেই এভাবে নজরদারি চালিয়ে থাকে।
যদিও এই দাবি মানতে নারাজ অনেক বিজ্ঞানী। কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ রেজিনার জ্যোতির্বিজ্ঞানী সামান্থা লওলার বলছেন, “এই বস্তু এখন পর্যন্ত একটি সাধারণ ধূমকেতুই বলেই প্রতিপন্ন।”
তবে অধ্যাপক আবির মতে, পৃথিবীকে ভবিষ্যতের জন্য prepared থাকতেই হবে। কারণ এই চর যদি সত্যিই ভিনগ্রহী হয়ে থাকে, তবে সেটা শুধুই বিজ্ঞান কল্পকাহিনি নয়, বরং বাস্তবের নতুন চ্যালেঞ্জ!
