গণনার আগে স্ট্রংরুমে কড়া নিরাপত্তা! ইভিএম ঘিরে বাড়তি সতর্কতা কমিশনের
Connect with us

ভাইরাল খবর

গণনার আগে স্ট্রংরুমে কড়া নিরাপত্তা! ইভিএম ঘিরে বাড়তি সতর্কতা কমিশনের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026) শেষ হলেও এখন মূল নজর ভোটগণনা (Vote Counting) ও স্ট্রংরুম (Strongroom) নিরাপত্তার ওপর। দুই দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর ইভিএম (EVM) ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে নির্ধারিত স্ট্রংরুমে। ৪ মে ফল ঘোষণার আগে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার স্ট্রংরুম ও গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Forces) উপস্থিতি আগের তুলনায় বাড়ানো হয়েছে। মোট ২০০ কোম্পানি বাহিনীর পরিবর্তে আরও অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিটি স্ট্রংরুমে সর্বনিম্ন ২৪ জন জওয়ান (Jawans) মোতায়েন থাকছেন।

কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পরিসংখ্যান

  • সিআরপিএফ (CRPF): ১০০ কোম্পানি
  • বিএসএফ (BSF): ২০ কোম্পানি
  • আইটিবিপি (ITBP): ১৫ কোম্পানি
  • এসএসবি (SSB): ১৫ কোম্পানি
  • মোট নিরাপত্তা বাহিনী: ৬০৭ সেকশন
  • প্রতিটি স্ট্রংরুমে: ২৪+ জওয়ান

এবার রাজ্যে মোট ৮৭টি গণনাকেন্দ্রে (Counting Centres) ২৯৪টি আসনের ভোটগণনা হবে। ২০১৬ সালে যেখানে ৯০টি এবং ২০২১ সালে ১০৮টি গণনাকেন্দ্র ছিল, এবার তা কমিয়ে আনা হয়েছে।

রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে যেমন বিধাননগর কলেজ, বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজ, যাদবপুর এপিসি রায় পলিটেকনিক, কসবা, ডায়মন্ড হারবার, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আলাদা আলাদা কেন্দ্রে গণনা হবে। প্রতিটি এলাকায় রাজ্য পুলিশ (State Police) ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর যৌথ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।

Advertisement
ads

স্ট্রংরুমে সিসিটিভি (CCTV) নজরদারি, কন্ট্রোল রুম, নাকা চেকিং এবং বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখা হবে না।

তবে উৎসবের আবহের মধ্যেই আইনি জটিলতা (Legal complications) দানা বেঁধেছে। গণনার কাজে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগ এবং শেষ মুহূর্তে গণনাকেন্দ্র বদলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য। নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে আদালতের রায় এখন কোন দিকে যায়, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজনৈতিক মহল।

Continue Reading
Advertisement