বিশ্বের খবর
‘রাজায়-রাজায় যুদ্ধ, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়’! দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কায় শাহবাজ সরকার
ডিজিটাল ডেস্কঃ ইরান-মার্কিন সংঘাত (US-Iran conflict)-এর জেরে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের (economic crisis) মুখে পড়েছে পাকিস্তান (Pakistan)। দেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) নিজেই স্বীকার করেছেন, এই যুদ্ধ গত দুই বছরে অর্জিত অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে বড় ধাক্কা দিয়েছে।
সম্প্রতি এক ক্যাবিনেট বৈঠকে তিনি জানান, সংঘাতের আগে পাকিস্তানের মাসিক তেল আমদানির খরচ (oil import cost) ছিল প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০০ মিলিয়ন ডলারে। এই বিপুল ব্যয় দেশের অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। জ্বালানির (fuel) দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহের অনিশ্চয়তার কারণে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে প্রভাব পড়েছে। পেট্রোলিয়াম পণ্যের ব্যবহারও কমে গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স (task force) গঠন করা হয়েছে, যা প্রতিদিন বাজারদর পর্যবেক্ষণ করছে।
শাহবাজ শরিফ আরও জানান, যুদ্ধ থামাতে পাকিস্তান কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে। ইসলামাবাদে ইরান ও মার্কিন প্রতিনিধিদের মধ্যে দীর্ঘ বৈঠক (marathon talks) হয়েছে, যেখানে যুদ্ধবিরতি (ceasefire) বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের আন্তর্জাতিক সংঘাত (global conflict) তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলির অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি (inflation) এবং বৈদেশিক মুদ্রার সংকট সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তোলে। বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের অর্থনীতি চরম চাপে। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দূরে থেকেও কীভাবে একটি দেশের অর্থনীতি নড়বড়ে হয়ে যেতে পারে, পাকিস্তান এখন তারই বাস্তব উদাহরণ।
